ছবি : সংগৃহীতহোয়াইট হাউজের কাছে একটি গাড়িতে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করছিলেন এক যুবক। তার কথাবার্তায় সন্দেহ হওয়ায় কাছে যান সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তারা।
পরে গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করেন তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কয়েক ডজন গুলি। ওই যুবকই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।
গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে হোয়াইট হাউজের কাছে একটি গাড়িতে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করছিলেন ওই যুবক। এসময় সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তারা তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
তখন তিনি বলেন, তার মাথার ভেতর থেকে ভেসে আসা কিছু কণ্ঠস্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার নির্দেশ দিচ্ছিল তাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আটক যুবকের নাম রনি ইওরড্রিক্স গুয়ানিপা ক্রিনোস। তার ব্যবহৃত গাড়িটি চুরির বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ ছিল।
পরে, গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কয়েক ডজন গুলি উদ্ধার করেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
গত বছর ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটক করে সিক্রেট সার্ভিস ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। সর্বশেষ এই আটকের ঘটনাও তারই ধারাবাহিকতা।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্রিনোস ভেনেজুয়েলার নাগরিক। তিনি ২০২৪ সালের মার্চে টেক্সাস হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন।
বর্তমানে তিনি দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তিনি এখনো ইউএস মার্শালস সার্ভিসের হেফাজতে।
এদিকে, এ ঘটনায় হোয়াইট হাউজ কোনো মন্তব্য করেনি। তবে, এ বিষয়ে জানতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ও সিক্রেট সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছে তারা।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মন্ত্রী মার্কওয়েইন মুলিন এক বিবৃতিতে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, তাদের তৎপরতায় তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ওই যুবককে হোয়াইট হাউজের কাছে আটক করা সম্ভব হয়েছে। কারও ক্ষতি করার আগেই তাকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: এপি
সময়ের আলো/টিকে