প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:১৫ পিএম (ভিজিট : ৩০৬)
ষ আনন্দ সময় প্রতিবেদক
করোনার প্রকোপে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে সঙ্গীতাঙ্গন। স্টেজ শো বন্ধ থাকলেও সঙ্গীত পরিচালকেরা থেমে ছিলেন না। একের পর এক নতুন গান সৃষ্টি করেছেন। তবে এ বছর খুব কমই গান প্রকাশ পেয়েছে। তবে বেশিরভাগ গানই ছিল আলোচনায়। চলতি বছরের শেষদিকে আলোচিত গানের তালিকায় উঠে এসেছে চঞ্চল চৌধুরী ও মেহের আফরোজ শাওনের গাওয়া প্রচলিত গান ‘সর্বতো মঙ্গল রাধে’। এই গানটি অনেকের মুখে মুখে ছিল। তবে গানের কপিরাইট নিয়ে এখনও চলছে আলোচনা। অনেকদিন পর বহু জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা প্রিন্স মাহমুদ ‘আলো’ শিরোনামের গানটি দিয়ে শ্রোতাদের মন জয় করে নিয়েছে। আর গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন তানজির তুহিন। অন্যদিকে কবীর সুমনের কথা, সুর ও কম্পোজিশনে বেশ কিছু গানে কণ্ঠ দিয়ে আলোচনায় ছিলেন শিল্পী আসিফ আকবর। বছরের শুরুতে প্রকাশ হয়েছে মনির খানের কণ্ঠে ‘অঞ্জনা ২০২০’। এই গানটিও আলোচনায় ছিল।
বছরের আলোচিত গানের তালিকায় আরও আছে সিএমভি থেকে প্রকাশিত ইমন ও সিঁথির দ্বৈত গান ‘জানি পাব না’, ইমরান ও পূজার দ্বৈত গান ‘তুমি শুধু আমার’, ঐশীর ‘দম দাও’ তাহসানের ‘আমি ভালো আছি’, রঙ্গন মিউজিক থেকে প্রকাশিত ইমরানের একক গান ‘এত ভালোবাসি’, গানচিল থেকে প্রকাশিত মিনার রহমানের ‘আমি তোমার কাছে যাব’, প্রীতম হাসানের ‘ভেঙে পড় না এভাবে’, প্রতীক ও প্রীতমের ‘কাবারে হাড্ডি’, অনুপম থেকে প্রকাশিত তাহসানের ‘কে তুমি’, হাসান ও দৃষ্টির ‘ভ্যালেন্টাইন মাসুপ’, সানডে মিউজিক থেকে প্রকাশিত সালমা ও এইচপি সোহাগের ‘রঙ্গিলা বাড়ই’ নিজস্ব চ্যানেলে প্রকাশিত মিনারের ‘কেউ কথা রাখেনি’, হাবিব ওয়াহিদের ‘হারালে কোথায়’, বাপ্পা মজুমদারের ‘লকডাউন ঢাকা’, তাবিব মাহমুদ ও গাল্লিবয় রানার ‘চাপ নাই’, ডিজে রাহাতের সঙ্গীতায়োজনে পারভেজের ‘ফোক মাসুপ’, ঐশীর ‘মেঘের বাড়ি’, তানজীব সারোয়ারের ‘মেঘবরণ’, ‘ডুবে ডুবে’, ইমরান ও সুমনার দ্বৈত গান ‘রাখিস আমার হাতটা ধরে’, কাজী শুভর ‘কলঙ্ক’, জিসান খান শুভর ‘ঘুণপোকা’, কোনালের ‘মেঘ’, সাউন্ডটেক থেকে প্রকাশিত লায়লার ‘একখান পান চাইলাম’, মাহতিম শাকিবের ‘ভেবে বল না তুই’, মিনার রহমানের ‘তোমার ধকলে’, ইমরান ও বৃষ্টির দ্বৈত গান ‘তোমায় শুধু চাই’, সিডি চয়েস থেকে প্রকাশিত মিলন ও নাউমির দ্বৈত গান ‘একটু একটু করে’ বাংলাঢোল থেকে প্রকাশিত আসিফের ‘এখনও আমি সেই আসিফ’।
সাউন্ডটেকের ব্যানারে প্রকাশ হওয়া সারেগামাপাখ্যাত নোবেলের ‘অভিনয়’ গানটিও আলোচনায় এসেছে। হাসনাত তুষারের কণ্ঠে চাঁটগাইয়া গানটি শ্রোতাপ্রিয় হয়েছে। এ ছাড়া সিলন মিউজিক লাউঞ্জে পুরনো দিনের আধুনিক গান গেয়ে আলোচনায় ছিলেন লিজা, নন্দিতা, লুইপা, প্রিয়াংকা, নিশিতা ও অপু আমান। বছরের শেষদিকে স্যাটায়ার গান ‘বাবু খাইছো’। এটি সর্বমহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
আইয়ুব বাচ্চুর নামে ডিজিটাল আর্কাইভ
চলতি বছর সরকারিভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে আইয়ুব বাচ্চুর ২৭২টি গান। তৈরি হয়েছে ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল। যেখানে রয়েছে শিল্পীর কনসার্ট ও দুর্লভ সব মুহূর্তের ভিডিও।
গান ছাড়ার ঘোষণা ফেরদৌস ওয়াহিদের
চলতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের পর থেকে আর কোনো নতুন গান করবেন না। উঠবেন না মঞ্চেও। তার ছেলে হাবিব ওয়াহিদের সঙ্গে পরামর্শ করেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।