নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কতাকে উপক্ষো করে পুরনো বছরের বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে রাজধানীবাসী। রোববার সন্ধার পর থেকে শুরু হতে থাকে আতশবাজি ও পটকা ফুটানো। তবে রাত ১২টা বাজার আগে থেকে আতশাবাজি ফোটানোর পরিমাণ বাড়তে থাকে। অবস্থা দেখে মনে হয়েছে, ডিএমপির নির্দেশনা উপেক্ষিত থেকে গেছে। এদিকে, নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে ২০২৩ সালকে বিদয়া করে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৪। পাড়ামহল্লা থেকে অভিজাত পাঁচতারকা হোটেল, ক্লাব, রিসোর্ট ও বাসাবাড়ির ছাদে ছিল বর্ষবরণের নানা আয়োজন।
দেখা গেছে, সন্ধার পর রাজধানীর বিভিন্ন বাসা-বাড়ির ছাদে থেমে শেতে আতশবাজি ও পটকা ফুটানো শুরু হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ সংখ্যা বাড়তে থাকে। রাত ১২টা বাজার কয়েক মিনিট আগে থেকে আতশাবাজি ও পটকার শব্দে কেপে ওঠে রাজধানী। আতবাজির আলোতে নগরীর আকাশ হয়ে ওঠে উজ্জল। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে চলতে থাকে এমন আয়োজন। হঠাৎ এমন আলোর ঝলকানিতে বিভিন্ন গাছে থাকা পাখিরা বিভিন্ন দিকে ছোটাছুটি শুরু করে। আতশবাজির শব্দে কয়েক বছর আগে অনেক শিশু ও বয়স্কদের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়ায় এসব বিষয়ে কঠোরতা আরোপ করে আসছে ডিএমপি।
এদিকে, বর্ষবরণ ঘিরে সপ্তাহখানেক আগে থেকে নানা ধরণের প্রচারণা চালিয়ে আসছিল রাজধানীর অভিযাত হোটেলগুলো। সোনারগাঁও, ইন্টারকন্টিনেন্টাল, রেডিসন ব্লু, ওয়েস্টিন, ঢাকা রিজেন্সি, লা-মেরিডিয়ানসহ গুলশান, বনানীর বহু হোটেল ও রেস্টুরেন্টে ছিল ভিন্ন ভিন্ন আয়োজন। থার্টিফার্স্ট নাইটকে ঘিরে টিকিট বিক্রির পাশাপাশি নানা ধরণের বিশেষ খাবার আয়োজন করে বেশ কয়েকটি পাঁচ তারকা হোটেল।