চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে (শিবগঞ্জ) আবারো নৌকার নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ওই নির্বাচনী অফিসের মালামাল পুড়ে গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন নৌকা প্রতীকের উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক তৌহিদুল আলম টিয়া।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কানসাট ইউনিয়নের আব্বাস বাজারের প্রধান নির্বাচনী ওই অফিসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
তৌহিদুল আলম টিয়া জানান, দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে কানসাটের প্রধান নির্বাচনী অফিসের ব্যানার, পোস্টার, টেবিলক্লথ ও অফিসের সামিয়ানা পুড়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত নৌকার ৪টি অফিস পুড়িয়ে (কানসাট, মোবারকপুর, মোহনবাগ ও দায়পুকুরিয়া) দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এসব অফিস পুড়ানোর ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তাদের জানানো হলেও; ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসই শুধু মিলেছে; কার্যত কোন ব্যবস্থায় গ্রহণ করা হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার পর শুধু পরিদর্শনই মিলেছে। এমনকি কারা এ ধরনের ঘটনা রাতের আঁধারে করছে; তাদের চিহিৃত করাও সম্ভব হয়নি প্রশাসেনর পক্ষ থেকে।’
এদিকে, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিশুল জানান, সম্প্রতি তার একাধিক অফিসে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটলেও; এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। এমনকি তার নেতা-কর্মীদের উপর হুমকি-ধামকি অব্যাহত আছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষ সতন্ত্র প্রার্থীর (ট্রাক) লোকজনের হুমকি-ধামকি এবং কিছু কিছু জায়গায় প্রভাব বিস্তার করায় আমার নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা এখনও ওইসব এলাকায় ভোটের প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারছেনা। তিনি বলেন, নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়েনর তিনটি ওয়ার্ডে এবং মরদানা এলাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি অব্যাহত রেখেছেন। আমি আশা করবো পুলিশ প্রশাসন ও রির্টানিং কর্মকর্তা এসব বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখবেন।
এদিকে, শিবগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ওসি আরও জানান, পেট্রোল বোমা বা বিষ্ফোরক দ্রব্য দিয়ে নির্বাচনী অফিসটি পুড়িয়ে ফেলার আলামত পাওয়া গেছে। তবে কে বা কারা এ ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সময়ের আলো/জিকে