ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় শীতের তীব্রতায় চরম দুর্ভোগের শিকার খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষজন। ঘন কুয়াশার সাথে হিমেল হাওয়ার কনকনে ঠাণ্ডায় বেশি কাবু হয়ে পড়েছে শিশু ও বয়স্করা। এমন কনকনে শীতের রাতে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম শীত বস্ত্র (কম্বল) নিয়ে রাতের অন্ধকারে উপজেলার অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করছেন।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার ইব্রাহিমপুর, জিনোদপুর, বাঙ্গরা ও পৌরসভার করিমশাহ মাজার সংলগ্ন জায়গাগুলোতে অসহায় কর্মজীবী শ্রমিকদের মাঝে ২০০টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
এ সময় তিনি শীতার্তদের গাঁয়ে শীত বস্ত্র ও কম্বল জড়িয়ে দেন। এছাড়া এতিমখানায়ও কম্বল বিতরণ করা হয়। এর আগে উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নের অসহায় ও দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণের জন্য ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধাদের কাছেও কম্বল সরবরাহ করেছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: জাহাঙ্গীর আলম লিটন, উপজেলা পানিসম্পদ অফিসার ডা: শামীম আহমেদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার আবুল কাশেম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোকাররম হোসেন, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার ইন্সট্রাকটর নজরুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার ফারুক-ই-আজম প্রমুখ।
ইউএনও তানভীর ফরহাদ শামীম সময়ের আলোকে জানান, গত কয়েকদিনে সারাদেশের ন্যায় অত্র এলাকায়ও প্রচণ্ড শীত পড়েছে। এই শীতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কষ্টে থাকে ছিন্নমূল অসহায় হতদরিদ্র শ্রমজীবী মানুষগুলো। তারা টাকার অভাবে তীব্র শীতে শীতবস্ত্র কিনতে পারছেন না। তাছাড়া প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কারণে দিনমজুর শ্রেণীর মানুষ কাজেও যেতে পারছেন না। তাদের কষ্ট কিছুটা লাঘব করা ও সঠিক ব্যক্তিকে সহায়তার লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরপ্রধানদের সাথে নিয়ে রাতে বের হয়েছি। সমাজের বিত্তবানদের প্রতি অসহায় শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
সময়ের আলো/এএ/