ডুবন্ত ফেরি উদ্ধারে চলছে জাহাজ ‘প্রত্যয়’ এর কার্যক্রম

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

সারাদেশ

পাটুরিয়া ফেরি ডুবি ঘটনায় অবশেষে ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘প্রত্যয়’ তার কার্যক্রম শুরু করেছে। পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীতে ফেরি রজনীগন্ধা ডুবির

2024-01-19T22:00:09+00:00
2024-01-19T22:00:09+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
ডুবন্ত ফেরি উদ্ধারে চলছে জাহাজ ‘প্রত্যয়’ এর কার্যক্রম
গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪, ১০:০০ পিএম 
ডুবন্ত ফেরি উদ্ধারে চলছে জাহাজ ‘প্রত্যয়’ এর কার্যক্রম
পাটুরিয়া ফেরি ডুবি ঘটনায় অবশেষে ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘প্রত্যয়’ তার কার্যক্রম শুরু করেছে। পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীতে ফেরি রজনীগন্ধা ডুবির তৃতীয় দিনে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়। তবে ফেরি উদ্ধার করতে আরও কিছু সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিট এর চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা।

তিনি বলেন, শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে প্রত্যয়। এখন পজিশন নিয়ে ফেরি উঠানোর কাজ শুরু হবে। এর আগে শুক্রবার সকাল থেকে আমরা ডুবন্ত ফেরির বিভিন্ন স্থানে রশি দিয়ে বাঁধার কাজ করেছি। ফেরির ভেতরে ১০টি এয়ার লিফটিং ব্যাগ ঢুকানো হয়েছে। এখন ওই ব্যাগে বাতাস দেওয়া হচ্ছে। এতে আস্তে আস্তে ফেরিটি উপরের দিকে উঠবে।

মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক মো.আব্দুল হামিদ বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ৩টি ট্রাক উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। বাকী ৬টি ট্রাক শনাক্ত করতে পারিনি।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পাটুরিয়ার ৫ নাম্বার ফেরিঘাটের কাছে ৯টি ট্রাক নিয়ে ফেরি রজনীগন্ধা ডুবে যায়। এসময় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছে ফেরির দ্বিতীয় ইঞ্জিন চালক হুমায়ন কবির। এরপর ফেরিটি উদ্ধারে কাজ শুরু করে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তুম। তবে তিনদিনে মাত্র ৩টি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীতে ফেরি ডুবির ঘটনায় তৃতীয় দিনে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। তবে তৃতীয় দিনেও দুপুর ২টা পর্যন্ত নিখোঁজ দ্বিতীয় মাস্টার হুমায়ূন কবিরের সন্ধান মেলেনি। অপেক্ষায় প্রহর গুনছে তার পরিবার।

এদিন দুপুরে বিআইডব্লিউটিসির আরিচা অঞ্চলের উপ মহাব্যবস্থাপক শাহ মোহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ জানান, নিখোঁজ দ্বিতীয় মাস্টার হুমায়ূন কবির এখনো নিখোঁজ। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ডুবে যাওয়া ফেরিতেই আটকে আছেন।

এদিকে দুটো উদ্ধার জাহাজ ফেরি উদ্ধারে সক্ষমতা নেই হামজা ও রুস্তমের। দুই দিনে হামজা ও রুস্তম উদ্ধার জাহাজ দিয়ে তিনটি যানবাহন উদ্ধার করা হয়েছে। ২৫০ টন ওজনের উদ্ধার জাহাজ প্রত্যয় আসলে মূল কাজ শুরু হবে। আজ তৃতীয় দিনে হামজা ও রুস্তম উদ্ধার কাজ করছে।

অন্যদিকে নিখোঁজ দ্বিতীয় মাস্টার হুমায়ূন কবিরের সন্ধান তৃতীয় দিনেও মেলেনি। হুমায়ুন কবিরের ভাই রফিকুল ইসলাম জানান, তিনদিন হলো আমার ভাইয়ের খোঁজ এখনো পেলাম না। আমরা নদীতে ট্রলার দিয়ে অনেক খুঁজেছি। এখন নদীর পারে তাকিয়ে আছি। মনে হয় নিজেই নদীতে ঝাপ দেই। তিনটি ট্রাক তুললো অথচ আমার ভাই উদ্ধার হলো না। আসলে তারা কিভাবে খুঁজছে বুঝতেছি না।

রজনীগন্ধা ফেরির নিখোঁজ সহকারী ইঞ্জিন চালক হুমায়ন কবির পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার গৌরিপুর ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা গ্রামের আব্দুল লতিফের পুত্র। তার এক ছেলে ছাড়াও আরো দুই মেয়ে রয়েছে।

নৌবাহিনীর ডুবুরি দলের প্রধান লেফ: শাহ পরাণ ইমন জানান, নৌবাহিনীর ডুবুরি টিমসহ ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএর প্রায় ৫০ জন কাজ করে যাচ্ছে। হুমায়ূন কবিরকে আমরা শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ৫টা পর্যন্ত খুঁজে পাইনি।

সময়ের আলো/আরআই




  বিষয়:   রজনীগন্ধা ফেরি ডুবি  ডুবন্ত ফেরি উদ্ধার অভিযান  গোয়ালন্দ  রাজবাড়ী 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: