যশোরের অভয়নগরে চাঞ্চল্যকর যুবলীগ নেতা মুরাদ হোসেন হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে যশোর জেলা ও অভয়নগর থানা পুলিশ। স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় জড়িত আসামিদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে অভয়নগর থানায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন যশোর খ সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম সোহাগ। এসময় উপস্থিত ছিলেন অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আকিকুল ইসলাম, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শুভ্র কুমার দাস।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম সোহাগ লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে এক মাস সময় লেগেছে। স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় জড়িত আসামিদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। ঘটনার তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশের একটি চৌকস টিমের অভিযানে গতকাল (বুধবার) নওয়াপাড়া রেল স্টেশন এলাকা থেকে মো. সাগর কাজী নামের একজনকে আটক করা হয়। সে উপজেলার নওয়াপাড়া মডেল কলেজ রোডের মধ্যপাড়া এলাকার মৃত. মহসিন কাজীর ছেলে।
আটককৃত আসামি সাগরের দেয়া তথ্যমতে, ঘটনার সাথে জড়িত উপজেলার ধোপাদী গ্রামের বাবু শেখের ছেলে মো. আল আমিন শেখ (২৫) ও রানাভাটা সবুজবাগ এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. রনি ব্যাপারীকে (৩২) আটক করা হয়। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক রাত ১০ টার দিকে নিহত মুরাদ নওয়াপাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল। বাড়ির কাছাকাছি স্বপ্ন ভিলার সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গুরুতর আহত মুরাদকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। খুলনায় পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
সময়ের আলো/আরআই