নাবিক-ক্রুরা বেশির ভাগ সময় থাকছেন জাহাজের ব্রিজে

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সারাদেশ

বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের ২৩ নাবিক ক্রু বেশির ভাগ সময় জাহাজটির ব্রিজেই অবস্থান করছেন। বাংলাদেশি এই জাহাজটির পাশে

2024-03-24T04:33:36+00:00
2024-03-24T04:33:36+00:00
 
  শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
নাবিক-ক্রুরা বেশির ভাগ সময় থাকছেন জাহাজের ব্রিজে
এমভি আবদুল্লাহ
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: রোববার, ২৪ মার্চ, ২০২৪, ৪:৩৩ এএম 
নাবিক-ক্রুরা বেশির ভাগ সময় থাকছেন জাহাজের ব্রিজে
বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের ২৩ নাবিক ক্রু বেশির ভাগ সময় জাহাজটির ব্রিজেই অবস্থান করছেন। বাংলাদেশি এই জাহাজটির পাশে ইইউর যুদ্ধ জাহাজ অবস্থান নেওয়ার খবরে শঙ্কায় পড়েছে জলদস্যুরা। তাই নাবিকদের ব্রিজেই রাখছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

জাহাজটি জিম্মি করা সোমালিয়ার জলদস্যুরা মালিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার বাংলাদেশ সময় দুপুরে ফোনে যোগাযোগ করে মালিক পক্ষের সঙ্গে। শনিবার চার দিন পার হলেও আর কোনো সাড়া মেলেনি। তবে মালিক পক্ষ বলছে, একেবারে যোগাযোগ হয়নি বিষয়টি সে রকম নয়। যোগাযোগ আছে বিভিন্ন মাধ্যমে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে জানা যায়, জাহাজের ২৩ নাবিক ক্রু এখনও ব্রিজেই অবস্থান করছেন। মাঝে মাঝে কেবিনে থাকতে দিলেও বেশির ভাগ সময় থাকছেন ব্রিজে। তবে নাবিকদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত আছে বলে মালিক পক্ষের কর্মকর্তারা 

জানিয়েছেন। জলদস্যুরা বিচ্ছিন্নভাবে নাবিকদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে। শুক্রবার রাতেও এক নাবিক পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন।

জাহাজটির মালিক কেএসআরএম গ্রুপের মিডিয়া এডভাইজার মিজানুল ইসলাম বলেন, জলদস্যুদের সঙ্গে কয়েক দিনের মধ্যে আমাদের যোগাযোগ হয়নি তা বলা যাবে না। তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। যোগাযোগ যখন একবার শুরু হয়েছে তা অব্যাহত থাকবে। হয়তো দুয়েক দিনের মধ্যে আবার যোগাযোগ করতে পারে। এখানে শুধু দুটি ইস্যু আছে যোগাযোগের ক্ষেত্রে। একটি হচ্ছে মুক্তিপণ নিয়ে দরকষাকষি। আরেকটি বিষয় হচ্ছে জাহাজ এবং নাবিকদের ছাড়ানোর দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা। তাদের সঙ্গে আলোচনায় এই দুটি বিষয় বেশি গুরুত্ব পাবে।

শিপিং সেক্টরের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের যুদ্ধ জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর কাছে অবস্থান নেওয়ায় একটি চাপ তৈরি হয়েছে। এতে হয়তো জিম্মিদশা থেকে নাবিকদের মুক্তির প্রক্রিয়া দ্রুত হতে পারে। তবে এটার নেতিবাচক দিকও আছে। এ ধরনের চাপ তৈরির কারণে আলোচনার পরিবেশ তৈরির সুযোগ বাধাগ্রস্ত হবে। বাস্তবে এখন তাই হচ্ছে। তবে মালিক পক্ষ এবং নৌবাণিজ অধিদফতরের অনুমতি ছাড়া এম আবদুল্লাহ জাহাজে কেন অভিযান চালানোর সুযোগ নেই।

গত ১২ মার্চ ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়ে এমভি আবদুল্লাহ। এরপর কয়েক ধাপে জাহাজটি সোমালিয়ার উপকূলের কাছে নোঙর করে আছে। জাহাজটিতে বর্তমানে ৫৫ হাজার টন কয়লা মজুদ আছে। এসব কয়লা ভর্তি করা হয়েছিল মোজাম্মিকের একটি বন্দর থেকে। পৌঁছার কথা ছিল দুবাইয়ের একটি বন্দরে। কিন্তু জলদস্যুদের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর থেকে নাবিকদের পাশাপাশি বিপুল কয়লা খালাসও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

সময়ের আলো/আরএস/ 



Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: