প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ব্যস্ততম ঢাকার কর্মস্থল থেকে নাড়ির টানে বা ফিরতে শুরু করেছে উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। ফলে, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়ক, হাটিকুমরুল-বনপাড়া ও বগুড়া-নগরবাড়ী মহাসড়কে বাস, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত প্রাইভেট কারের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। তবে, যানবাহনের চাপ বাড়লেও এই মহাসড়কের কোথাও কোনও ধীরগতি বা যানজটের মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়নি। এখন পর্যন্ত উত্তরের মহাসড়কগুলো যানজট ও ধীরগতি লক্ষ্য করা যায়নি। স্বাভাবিক গতিতে চলে যানবাহন।
রোববার (৭ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের কড্ডার মোড়, পাঁচিলা ও নলকার মোড় ঘুরে দেখা যায়, যানবাহন কিছুটা বেড়েছে। তবে অন্যান্য সময়ের মতোই একদম স্বাভাবিক গতিতে সকল রুটে যানবাহন চলাচল করছে। যার ফলে এই মহাসড়কে যাত্রী ও চালকের ভোগান্তি দেখা যায়নি। মহাসড়কে ট্রাফিক আইন মানাতে ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে পুলিশ।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ ওয়াদুদ বলেন, সকাল থেকে মহাসড়কে বিভিন্ন ধরনের গাড়ির চাপ কিছুটা বেড়েছে। তবে মহাসড়কের কোথাও কোনও ভোগান্তি নেই। সকল গাড়ি একদম নির্বিঘ্নে চলাচল করছে।
তিনি আরও বলেন, সোমবার গার্মেন্টস ছুটি হবে। তার পরে মহাসড়কে যানবাহনের সর্বোচ্চ চাপটা শুরু হবে। আশা করছি সেই সময়েই মহাসড়কে যানজটের মতো কোনও অবস্থা এবছরে সৃষ্টি হবে না। আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।
সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন) জাফর উল্লাহ রুবেল বলেন, ধীরে ধীরে মহাসড়কে গাড়ির চাপ বাড়ছে। তবে যান চলাচল একদম স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি বলেন, ঈদযাত্রায় বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কসহ সকল রুটে গাড়ির চাপ বাড়লেও এবার সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানজটের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
সময়ের আলো/আরআই