শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার অভিযানে নেমে কোতোয়ালী পুলিশ ৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ ৫ চোরকে আটক করেছে। রোববার (৭ এপ্রিল) দুপুরে মোটরসাইকেলসহ আটকদের রাঙামাটি কোতোয়ালী থানায় নিয়ে আসা হয়।
আটককৃতরা হলেন- মো. ওমর ফারুক তারেক (২৮), মো. আমির হোসেন (৩৪), রীতিময় চাকমা (৩৯), মো. জুয়েল উদ্দিন (২৯) ও মো- এরশাদ (৪০)।
পুলিশ জানিয়েছে, শহরের জিমনেসিয়াম এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি মামলার সূত্র ধরে পুলিশ অভিযানে নামে। আটককৃত এই ৫ চোরের স্বীকারোক্তি মতে পুলিশের বিশেষ টিমগুলো চট্টগ্রাম, সিলেট ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বাইকগুলো উদ্ধার করে। মোটরবাইক চোর গ্যাংয়ের আটক ৫ সদস্য ‘মাস্টার-কি’ ব্যবহার করে প্রকাশ্য দিনের বেলা মোটরসাইকেল চুরির মাধ্যমে রাঙামাটির বাইক ব্যবহারকারীদের তটস্থ করে রেখেছিলো।
এর আগে পুলিশ পৃথক অভিযানে মোটরবাইক চোরাই গ্যাংয়ের ৩ সদস্যকে আটক করে। তারা হলেন- মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ (২৩), মো. শাহেদ হোসেন (১৯) ও মো. কালু (৩১)। এরা মূলত রাতের আধারে চুরি করতো। রাঙামাটি কোতোয়ালী থানা পুলিশের দু’দফার অভিযানে পৃথক ২টি চোরাই গ্যাংয়ের সর্বমোট ৭ জন চোরকে আটক করা হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে রাঙামাটি সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, রাঙামাটিকে অপরাধ মুক্ত করতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আমরা বেশ কয়েকদিনের প্রচেষ্টায় সফল হয়েছি। রাতে এবং দিনের বেলায় দুটি চোরাই গ্যাং সক্রিয় ছিলো। এদেরকে আমরা আটক করতে পেরেছি। মনে রাখতে হবে চোর সব সময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। এখানে জনগণকে সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে বাইকগুলো পার্কিংয়ের সময় তালা লাগানো উচিৎ। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, সিলেটের দুর্গম চর ও গ্রামে অভিযান চালিয়ে চোর ও চোরাই মোটরবাইকগুলো উদ্ধারে সক্ষম হয়েছি।
এ সময় কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলীসহ থানার অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন।
সময়ের আলো/আরআই
চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, চোর আটক, রাঙামাটি