কয়েকদিন আগে শেষ হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। এরপর পবিত্র ঈদুল ফিতর ও নববর্ষের আমেজও শেষদিকে। আর এতেই শসায় নেমেছে ধ্স। দিনাজপুরের খানসামায় চলতি মৌসুমে শসার ফলন ভালো হলেও হঠাৎ দাম কমাতে হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। যেই শসা কিছু দিন আগেও পাইকাররা ক্ষেত থেকে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন এখন পাইকাররা ২ টাকা কেজি দরেও কিনতে রাজি হচ্ছেন না। খানসামা বাজারে আজ (বুধবার) প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ১ টাকায়। দাম কমে যাওয়ায় হতাশ চাষিরা। অন্যদিকে খুশি নিম্ন আয়ের মানুষ।
বুধবার (১৭ এপ্রিল) খানসামা উপজেলার কয়েকটি সবজি বাজারে ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি দোকানে কম বেশি শসার সরবরাহ রয়েছে। তবে ক্রেতা না থাকায় প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ১ টাকা কেজি দরে। রমজান মাসেও এই শসার কেজি ছিল ৪০-৫০ টাকা কেজি । তখন অনেক ক্রেতাই কিনতে পারে নাই। এখন দাম কমে যাওয়ায় অনেকেই কিনছেন এই শসা।
উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের মধ্য আঙ্গার পাড়া গ্রামের শসা চাষি মো. মোকলেছুর রহমান বলেন, এ বছর তিনি এক একর জমিতে শসার আবাদ করেছেন। খরচ হয়েছে এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকা। এখন যে দাম, তাতে শ্রমিকদের মজুরি খরচ উঠবে না। শসার বাজার নিয়ে বর্তমানে তিনি অনেক দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
বাজারে সবজি কিনতে আসা আব্দুস সোবহান বলেন, দাম এখন অনেকটা হাতের নাগালেই আছে। রমজান মাসের তুলনায় অনেক দাম কম। দাম কম থাকলেও বাকি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম অনেক চড়া।
আরেক ক্রেতা পিয়াস বলেন, রমজান মাসে তো হাতেই দেয়া যাচ্ছিলো না শসায়। এখন রমজান শেষ ও আমদানি বাড়ায় তাই দাম কমেছে। শসা কিনেছি ডাল দিয়ে রান্না করে খাব বলে।
খানসামা বাজারের শসা বিক্রেতা শাহীন বলেন, রমজান মাসে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি ছিল। এখন সরবরাহ অনেক বেশি তাই দাম কম। তবে দাম কম হলেও বাজারে শসার ক্রেতা কম। এছাড়া অন্যান্য সবজির দামও অনেক কম। ক্রেতারা সাধ্যমতো কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
সময়ের আলো/আরআই