দুবাই থেকে দেশের পথে রওয়ানা দিয়েছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ। সোমবার (২৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে দুবাইয়ের মিনা সাকার বন্দর থেকে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। আগামী ১২ থেকে ১৫ মে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। জাহাজটি ফিরতি পথে প্রায় ৫৬ হাজার মেট্রিক টন চুনা পাথর বহন করছে। এসব চুনা পাথর খালাস করা হবে কুতুবদিয়ার সমুদ্র উপকূলে।
জাহাজটি বাংলাদেশের পথে নিরাপদে রওয়ানা দেয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন কেএসআরএমের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুবাইয়ের হামরিয়া বন্দর থেকে মিনা সাকার বন্দরে যায় পণ্য ভর্তি করতে। কয়েকদিনের মধ্যে চুনা পাথর ভর্তি শেষ হওয়ার পর পরই মিনা সাকার বন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওয়ানা দেয় এমভি আবদুল্লাহ। আমরা নাবিকদের ফেরার অপেক্ষায় রয়েছি।
কেএসআরএম সূত্র জানায়, ২৩ নাবিক জাহাজে করেই ফিরছেন চট্টগ্রাম বন্দরে। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে জাহাজটি প্যারস্য উপসাগরে অতিক্রম করছিল। ফিরতি পথে কোন ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গত শনিবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের আল হামরিয়া বন্দরে কয়লা খালাস করে মিনা সাকার বন্দরে যায় এমভি আবদুল্লাহ। হামরিয়া থেকে মিনা সাকার যেতে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে। সেখান থেকে পণ্য ভর্তি করা হয়। চট্টগ্রাম বন্দরে ফিরতে পথে সময় লাগবে অন্তত ১৩ থেকে ১৫ দিন। তাই সমুদ্র পথের একটি বন্দর থেকে তেল ও খাবার সংগ্রহ করবে। এজন্য কিছু সময় ব্যয় হবে।
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয় এমভি আবদুল্লাহ। গত ১২ মার্চ ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের কবলে পড়ে জাহাজটি। বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় ২৩ নাবিকসহ জাহাজটি জিম্মি করে ফেলে সোমালিয়া দস্যুরা। পরে জাহাজটি নিয়ে যাওয়া হয় সোমালিয়ার জলদস্যুদের আস্তানায়। সেখান থেকে মুক্তিপণ দিয়ে গত ১৪ এপ্রিল জাহাজটি মুক্ত করা হয়।
সময়ের আলো/আরআই