নড়াইলের মল্লিকপুর ইউনিয়ন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১১মে) দুপুরে নড়াইল সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে তাকে নেয়া হয় নিজ বাড়ি মঙ্গলহাটায়।
এদিন বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। এ ঘটনায় কোন হত্যা মামলা হয়নি। এলাকার সর্বত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সহিংসতা এবং লুটপাটের আশংকা পুলিশ প্রতিপক্ষের বাড়ি পাহারায় রেখেছে। ঘটনা তদন্তে পিবিআই কাজ করছে।
শুক্রবার (১০ মে) সন্ধ্যায় লোহাগড়ার মঙ্গলহাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বুক ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেবার পথে রাত ১০টায় মারা যান তিনি। রাত ৯টার দিকে পাল্টা হামলায় প্রতিপক্ষের দুই যুবককে গুলিবিদ্ধ করে আহত করা হয়। তারা খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।
গতকাল (শুক্রবার) রাতে সমীর সিকদারের বাড়িতে সালিসে অংশ নিতে মোটরসাইকেলে যান সিকদার মোস্তফা কামাল। রাস্তার পাশে মোটরসাইকেল রেখে তিনি ওই বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে মোটরসাইকেল বাড়ির ভেতরে নিতে মোটরসাইকেলের কাছে গেলেই পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা পিস্তল দিয়ে ৩টি গুলি করে। সিকদার মোস্তফা কামাল গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এ ঘটনার প্রতিশোধে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোস্তফা সিকদারের লোকজন মল্লিকপুর ইউপির সাবেক মেম্বর লিপনের বাড়িতে চড়াও হয়ে গুলিবর্ষণ করে। এতে আহত হয় মঙ্গলহাটা উত্তরপাড়ার লিটন শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ (২৫) ও পান্নু মোল্যার ছেলে পলাশ মোল্যা (৪০)। তাদেরকে খুলনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।