গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদীর চর থেকে ১২টি চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ জুন) দুপুরে সাঘাটা উপজেলার দক্ষিণ সাথালিয়া এলাকার বুগারপটল চরের কাঁশবন থেকে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (৮ জুন) সাঘাটা থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পেশাদার গরু চোররা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারই ধারাবাহিকতায় চরাঞ্চলকে নিরাপদ আশ্রায় কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়ে চোররা চরাঞ্চলের কাঁশবনের ভেতর চুরি যাওয়া গরু সংরক্ষণ করছিল। গত শুক্রবার থানায় গোপনে সংবাদ আসে, সাঘাটা উপজেলার যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলের দক্ষিণ সাথালিয়া এলাকার বুগারপটল চরে কাঁশবনের ভেতর চুরি যাওয়া গরু এনে রেখেছে চোর চক্রের সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপারের নির্দেশে সাঘাটা থানা পুলিশের একটি টিম স্থানীয় জনসাধারণকে সাথে নিয়ে অভিযান চালায়। এসময় তারা চরের কাঁশবনের ভেতরে কাশের ছাউনি ছাপড়ার নিচে অজ্ঞাত কতিপয় চোর ও চোরাই গরু দেখতে পায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাই গরুগুলো রেখে চোরেরা কাঁশবনের মধ্য দিয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ছোট-বড় ১২টি চোরাই গরু উদ্ধার করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি- সার্কেল) আরও বলেন, এর মধ্যে ৪টি গরু উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের যাদুরতাইড় গ্রামের মো. শফিউর রহমান তার নিজের বলে সনাক্ত করেছেন। বাকি ৮টি গরুর মালিকের খোঁজ পাওয়া যায়নি। উপযুক্ত প্রমাণসহ মালিক পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতের মাধ্যমে মালিকের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
এ বিষয়ে সীমান্তবর্তী সব থানাগুলোতে বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে। দুইজন চোরের নামও জানা গেছে, তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে তাদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে উদ্ধার হওয়া ৪টি গরুর মালিক শফিউর রহমানকে বাদী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সময়ের আলো/আরআই