কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে রেন্ট এ বাইক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে এক পর্যটক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৮ জুন) বিকেল ৫ টার দিকে ঐ সড়কের হিমছড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত পর্যটকের নাম তুষার (২২)। তার বাড়ি কুমিল্লায়। এই ঘটনায় জাহেদ নামে তুষারের আরেক বন্ধু গুরুতর আহত হয়। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার্স ইনচার্জ হিমেল রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মেরিন ড্রাইভ সড়কের হিমছড়ি এলাকায় একটি রেট এ বাইক ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তুষারকে মৃত ঘোষণা করেন। এবং জাহেদকে চট্টগ্রাম রেফার করে দেন। তার অবস্থাও আশংকাজনক। নিহত তুষারের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ইতিমধ্যেই তার পরিবার কক্সবাজারের উদ্দেশ্য রওয়ানা দিয়েছে। তার পরিবারের লোকজন আসলে লাশ ময়নাতদন্তের পর লাশ বুজিয়ে দেয়া হবে।
নিহতের বন্ধুরা জানান, গত ৬ জুন কুমিল্লা থেকে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন তারা। আজ (শনিবার) বিকালে তুষার ও শাহাজাহান ‘রেন্ট এ বাইক’ থেকে মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়ে ঘুরতে চলে যান মেরিন ড্রাইভ সড়কে। সেখানে দুর্ঘটনার স্বীকার হোন তারা। হাসপাতালে নেওয়া হলে তুষারকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
উল্লেখ্য, গত ১৮ মে নববধূ নিয়ে ঘুরতে এসে রেন্ট এ বাইক থেকে মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়ে মেরিন ড্রাইভে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এক পর্যটক।
স্থানীয়রা জানান, কক্সবাজারে অনুমোদনহীন রেন্ট এ বাইকের সংখ্যা দিনদিন বেড়ে চলেছে। তারা টাকার জন্য প্রাপ্ত বয়স্ক অপ্রাপ্ত বয়স্ক সবাইকে মোটরসাইকেল ভাড়া দিচ্ছেন। লাইসেন্স ছাড়াও ভাড়া দেয়া হয় এই মোটরসাইকেল। যার কারণে এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা দিনের পর দিন প্রশাসনের নাকের ডগায় ঘটে যাচ্ছে।
ফয়সাল আহমেদ নামে এক পর্যটক জানান, এমন দুর্ঘটনার রোধ করতে রেন্ট এ বাইক ব্যবসায়ীদের একটি নীতিমালার মধ্যে আনতে হবে। যার মাধ্যমে জবাবদিহি করতে হবে এই ব্যবসায়ীদের। যদি এখনই তাদের লাগাম টানা না হয়, পরবর্তীতে মেরিন ড্রাইভ সড়কে আরও বেশি প্রাণহানি হবে এই রেন্ট-এ বাইকের কারণে।
সময়ের আলো/আরআই