প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জমির দলিল বানানোসহ নানাবিধ হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘরবাড়ি নির্মাণের পায়তারা করার অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালী যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতের সহকারী সেরেস্তাদার মো. মাহাতাব খন্দকারের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৪ জুন) বেলা ১১টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের বরুনবাড়িয়া নিবাসী মোঃ মাসুম খানসহ তার অন্যান্য ভাই বোনেরা।
লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিকদের জানানো হয়, তারা ৪ ভাই ও ৩ বোন। তাদের মায়ের বাবার বাড়ি পটুয়াখালী পৌরসভাধীন ৯নং ওয়ার্ডের টাউন কালিকাপুর। মায়ের ওয়ারিশ সূত্রে তারা সেখানে ৭ শতাংশ জমির মালিক। মাসুম খান রুটি রুজির জন্য মালয়েশিয়ায় থাকার সুযোগে তার মামাতো ভাই পটুয়াখালী যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতের সহকারী সেরেস্তাদার মো. মাহাতাব খন্দকার তার অন্যান্য ৬ ভাই বোনকে জমি রেকর্ড করে দেয়ার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে এক কপি করে ছবি ও জাতিয় পরিচয় পত্রের কপি নেয়।
এছাড়া স্ট্যাম্পে ৭ ভাইবোনের মধ্যে ৪ জন কবির খান, মো. সোহাগ খান, বাহাদুর খান ও রেহেনা বেগমের স্বাক্ষর নেয় এবং মাসুম খান, সাহিদা বেগম ও ঝর্না বেগমের স্বাক্ষর জাল করে কোর্ট থেকে কৌশলে জাল দলিল বের করেন।
মাসুম দেশে এসে জাল দলিল করার খবর পেয়ে কোর্ট থেকে কাগজ পত্র সংগ্রহ করে পটুয়াখালী যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি চলমান রেখে উক্ত সম্পত্তির উপরে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। সম্প্রতি মামাতো ভাই সহকারী সেরেস্তাদার মাহাতাব খন্দকার কোর্ট থেকে মামলার নথিপত্র গায়েব করে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি স্থাপনা করার পায়তারা করছ। তারা বিষযটির প্রতিকার ও অপরাধীর দৃষ্টান্তমুলক বিচার চান।
এসময় মাসুম খানের ভাই কবির খান, সোহাগ খান, বোন সাহিদা বেগম ও বোন মরহুমা ঝর্না বেগমের মেয়ে লাভলি আক্তারসহ অন্যান্য স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে জানার জন্য পটুয়াখালী যুগ্ম জেলা জজ আদালতের সহকারী সেরেস্তাদার মাহাতাব খন্দকারের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে, তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
সময়ের আলো/জিকে