শীতলক্ষ্যার ভাঙনে হুমকিতে অর্ধশত পরিবার

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

সারাদেশ

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাপাসিয়া গ্রামের ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে আকস্মিক ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার (১৯ জুন)

2024-06-19T19:53:40+00:00
2024-06-19T19:53:40+00:00
 
  বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬,
১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
শীতলক্ষ্যার ভাঙনে হুমকিতে অর্ধশত পরিবার
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪, ৭:৫৩ পিএম 
শীতলক্ষ্যার ভাঙনে হুমকিতে অর্ধশত পরিবার
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাপাসিয়া গ্রামের ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে আকস্মিক ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার (১৯ জুন) সকালে শীতলক্ষ্যার ভাঙনে একটি আধা পাকা ঘরসহ পাঁচটি ঘর নদীতে দেবে গেছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে মাদরাসা ও ঈদগাহ মাঠসহ অর্ধশত বাড়িঘর।

আকস্মিক নদী ভাঙনে চরম আতঙ্কে আছেন নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা। বুধবার (১৯ জুন) সকালে অতি বর্ষণে কাপাসিয়া গ্রামের ঈদগাহ মাঠ এলাকার মোসা. হেনা বেগম, মাসুদ মিয়া, রফিকুল ইসলাম, বাবুল মিয়া, আক্কাস আলী ও কিরন মিয়ার বাড়ি-ঘর নদীতে দেবে গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আতঙ্কগ্রস্ত বাসিন্দারা বাড়িঘর নিয়ে চিন্তায় আছেন। ভাঙন কবলিত বাসিন্দাদের চোখেমুখে হতাশা ও আতঙ্কের ছাপ। অতিবৃষ্টি ও নদীতে প্রচণ্ড স্রোতে নদী পাড়ের বাসিন্দারা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। ভাঙনে পাঁচটি সাবমার্সিবল টিউবওয়ালও নদীতে দেবে গেছে। 

ভাঙনের শিকার মো. বাবুল মিয়া বলেন, বৃষ্টির পানিতে এভাবে ঘর বিলীন হবে, কেউ ভাবতে পারেনি। তার একটি ঘরই ছিল তা নদীতে দেবে গেছে। এখন থাকারও জায়গা নেই। 

তিনি জানান, বর্তমানে এ অল্প জায়গায় প্রায় ৫০ বছরের বসতি তাদের। এখন শেষ সম্বলটুকু হারাতে বসেছেন তারা। 

মোসা. হেনা বেগম বলেন, বৃষ্টির মধ্যে বুধবার ও গত দুইদিন আগে হঠাৎ ভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তেই মাটি ভেঙে পড়তে থাকে। ঘরের সব আসবাবপত্র বের করতে পারিনি। বেড়া সরানোর সময় ঘর নদীতে দেবে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত দুইদিন আগে থেকে ভাঙ্গন শুরু হয়। গতকাল থেকে হঠাৎ তীব্র ভাঙন শুরু হয় নদী তীরবর্তী এ এলাকায়। মুহূর্তেই পাঁচটি বসতঘর নদীগর্ভে দেবে যায়। পাঁচটি সাবমারসিবল টিউবওয়ালও দেবে গেছে নদীতে। দ্রুত ভাঙন ঠেকানো না গেলে অতি দ্রুত অর্ধশত বাড়িঘর ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়বে।

ভাঙন আতঙ্কে এলাকায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে কাপাসিয়া ঈদগাহ মাঠ মাদরাসার একটি আধা পাকা ভবন।

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. আমানত হোসেন খান বলেন, বিষয়টি দেখে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করা হবে।

কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম লুৎফর রহমান বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সময়ের আলো/আরআই



  বিষয়:   শীতলক্ষ্যা নদী  নদী ভাঙন  হুমকিতে ঘরবাড়ি  কাপাসিয়া-গাজীপুর 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: