স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল এমপি বলেছেন, ৭১ এর পরাজিত শক্তি কোটা আন্দোলনের আড়ালে সারাদেশ ব্যাপী ধ্বংসলীলা চালিয়েছে যা বগুড়াও বাদ যায়নি। এই অপশক্তি কখনই এদেশের ভালো চায়নি। এদেশের উন্নতি হোক তারা চায় না। এই অপশক্তি যারা বাংলাদেশ চায়নি তারা স্বাধীনতা চায়নি, তারা এদেশে জঙ্গি উত্থান ঘটিয়েছিল। তারা বীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, আওয়ামী লীগ, ভূমি অফিস, পোষ্ট অফিস ও জজ কোয়াটারে ভাঙচুর করে নাশকতা চালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এসব ধ্বংসলীলার জন্য নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করা হবে। সেই কমিশন তদন্ত করবে কেন এসব ধ্বংসলীলা করা হয়েছে। এসব ধ্বংসলীলায় পুলিশের ৩ সদস্যসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিককে প্রাণ দিতে হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে রংপুর থেকে বগুড়ায় এসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগকৃত অফিসগুলো পরিদর্শন শেষে কোটা বিরোধী আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতিকারী কর্তৃক জেলা সহিংস ঘটনায় বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ধীরে ধীরে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে, পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসলে কারফিউ প্রত্যাহার করা হবে। শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। এখন শিক্ষার্থীদের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
পুলিশের আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাজশাহী ডিআইজি, বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, বগুড়া-১ আসনের সাংসদ সাহাদারা মান্নান, বগুড়া-৭ আসনের সাংসদ ডা. মোস্তফা আলম নান্নু, বগুড়া-৪ আসনের সাংসদ রেজাউল করিম তানসেন, বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খান মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ আল মেহেদী বাধঁন, জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. জাকির হাসানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।
সময়ের আলো/আরআই