চট্টগ্রাম নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। সোমবার (১২ আগস্ট) নগরীতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। তাদের সঙ্গে ছিলেন গত কয়েকদিন ধরে দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থীরাও।
এদিন সকাল থেকে নগরীর আগ্রাবাদ, জিইসি মোড়, টাইগারপাস, ওয়াসা ও দামপাড়া মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের কাজ করতে দেখা যায়। তাদের সহযোগিতা করে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, আনসার, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের সদস্যরা। আগ্রাবাদ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশসহ পুলিশ সার্জেন্টদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
নগরীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা রাস্তায় ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের দেখে তাদের স্বাগত জানায় শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাদের বিস্কুট, পানিসহ বিভিন্ন খাবার সরবরাহ করে শিক্ষার্থীরা। ট্রাফিক সদস্যদের সাথে সমন্বয় করে তারাও সড়কের বিভিন্ন অংশে দায়িত্ব পালন করেন। এক সপ্তাহ পর পোশাক নিয়ে ট্রাফিক সদস্যদের দায়িত্ব পালনের কারণে সড়কের চিত্রও পাল্টে যায়।
এদিকে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি নগরীর ১৬ থানার কার্যক্রমে সোমবার (১২ আগস্ট) স্বাভাবিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন পুলিশের সদস্যরা। তবে পুলিশের বেশিরভাগ সদস্য ছিলেন সিভিল পোশাকে। সব থানায় পুরো জনবলও কাজে যোগ দেয়নি। নগরীর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত থানা পতেঙ্গা থানার জন্য ভবন খোঁজা হচ্ছে। সোমবার পর্যন্ত থানার কার্যক্রম চালানোর মতো ভবন পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকদিনের মধ্যে পতেঙ্গা থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে বলে পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সময়ের আলো/আরআই