ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যার দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে গাইবান্ধায় গণমিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এতে দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে শহরের সার্কুলার রোডে বিএনপির জেলা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় দলটির নেতাকর্মীরা। পরে দুপুর ১টার দিকে গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে শেখ হাসিনার নির্দেশে গুলি চালানো হয়। এতে শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। শুধু তাই নয় গেল ১৭ বছর ধরে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে গুম-খুন করা হয়েছে। এসমস্ত কিছুর দায় নিয়ে অবিলম্বে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালালেও দেশে এখনো স্বৈরাচারের দোসররা গেছে জানিয়ে বক্তারা বলেন, সারা দেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম চালাচ্ছে, আমরা সেসব অপকর্ম শক্ত হাতে দমন করবো। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হতে পারে। বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের নিরাপত্তায় বুক পেতে দেবে। ১৫ আগস্ট সামনে রেখে যারা ষড়যন্ত্র করছে, বিএনপি তাদের ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই সফল হতে দেব না।
রাগিব হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ইউনুস আলী দুখুর সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির জেলা সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন্নবী টিটুল, সহ-সভাপতি শহিদুজ্জামান শহীদ, মোর্শেদ হাবীব সোহেল, আব্দুল আউয়াল আরজু, যুগ্ম-সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বাবু, অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ বাবু, আনিছুর রহমান নাদিম, ছাত্রদলের জেলা সভাপতি খন্দকার জাকারিয়া আলম জিম, আল আমিন, ইমাম হাসান আলাল, ওয়ালিদ শাকিল ও রুহুল আমিন তমাল প্রমুখ।
সময়ের আলো/জিকে