নারায়ণগঞ্জে শেখ হাসিনা-শামীম ওসমানসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

সারাদেশ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিতে মাছ ব্যবসায়ী মিলন নিহতের ঘটনায় আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দলটির সাধারণ সম্পাদক

2024-08-19T22:29:15+00:00
2024-08-19T22:29:15+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
নারায়ণগঞ্জে শেখ হাসিনা-শামীম ওসমানসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৪, ১০:২৯ পিএম 
নারায়ণগঞ্জে শেখ হাসিনা-শামীম ওসমানসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিতে মাছ ব্যবসায়ী মিলন নিহতের ঘটনায় আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। 

নিহত মিলন সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় মাছের ব্যবসা করতেন। তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ঝাটরা গ্রামে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক। রোববার (১৮ আগস্ট) রাতে নিহত মিলনের স্ত্রী শাহনাজ বেগম বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তবে এ মামলায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার বা আটক হয়নি বলে জানান তিনি।

এ মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, শাহজালাল বাদল, নুর উদ্দিন মিয়া, রুহুল আমিন, ইফতেখার আলম খোকন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মিয়াসহ ৬২ জন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে পণ্ড করতে আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের সমর্থিত নেতা-কর্মীরা একজোট হয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিসোঁটা নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এবং জনমনে আতঙ্ক তৈরি করে। আসামিরা রাস্তায় অবস্থানরত ছাত্র-জনতার ওপর ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তাদের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ও মারধর করে। এসময় মিলন মাছের আড়ত থেকে বাড়ি ফেরার সময় বুকে গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা দেওয়া অবস্থায় ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন মিয়াসহ সকল আসামিরা পোস্টমর্টেম ও জানাজা না করে মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরে গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার, দুমকী উপজেলার, আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন এর ঝাটরা গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। 

সময়ের আলো/আরআই



  বিষয়:   ছাত্র আন্দোলন-হত্যা মামলা-আসামি  নারায়ণগঞ্জ 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: