বিপিএলের উদ্বোধনী দিনের রেশ ছিল চট্টগ্রাম কিংস-খুলনা টাইগার্সের মধ্যেকার আজকের ম্যাচে। হাই স্কোরিং ধারাবাহিকতায় আগে ব্যাট করতে নেমে ২০৩ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় খুলনা। দুইশো পার করা স্কোর তাড়া করতে নেমে খুলনার বোলিং তোপে থুবড়ে পড়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিং অর্ডার। শামীম হোসেনের ৩৮ বলে ৭৮ রানের ঝড়ো ইনিংস কোনো কাজে আসেনি। বন্দর নগরীর দলটি শেষ পর্যন্ত ৩৭ রানের হার দিয়ে বিপিএলের ১১তম আসর শুরু। অন্যদিকে বিপিএলে শুভসূচনা পেয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের খুলনা টাইগার্স।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলায় টস হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ২০৩ রানের বড় পুঁজি গড়েছিল খুলনা টাইগার্স। জবাবে ১৬৬ রানে থেমেছে চিটাগাং কিংস। ৩৮ বলে ৭৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি শামীম পাটোয়ারী।
আগে ব্যাট করতে নেমে চিটাগাং কিংসের বোলারদের নাভিশ্বাস তুলেছেন খুলনার দুই ব্যাটার উইলিয়াম বোসিস্টো এবং মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার বোসিস্টো নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটিই পেয়েছেন এদিন। ৫০ বলে ৭৫ রান করে ছিলেন অপরাজিত। বন্দর নগরীর ছেলে অঙ্কন ২২ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেছেন। বিধ্বংসী ওই ইনিংস তিনি সাজিয়েছেন ছয়টি ছক্কা ও একটি চারের শটে। ওই ইনিংস খেলার পথে ১৮ বলে ফিফটি করেন চট্টগ্রামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হওয়া অঙ্কন। বিপিএলে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে যা দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। উইকেটরক্ষক এই ব্যাটারের ২২ বলে ৫৯ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংসে ভর করেই ৪ উইকেটে ২০৩ রানের পাহাড় গড়ে খুলনা টাইগার্স।
দুইশো পার করা স্কোর তাড়া করতে নেমে শুরুতে ১ বলেই ১৫ রান পেয়েছিল চিটাগাং। ওশান থোমাসের একের পর এক নো বলে চার-ছক্কা হাঁকিয়ে এ রান এনে দিয়েছিলেন নাঈম ইসলাম। এরপর অবশ্য তিনি আর ক্রিজে থাকতে পারেননি। ওভারের পঞ্চম বৈধ বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সাজঘরে। ৯ বলে ১২ রানে থামে তার ইনিংস। এরপর পারভেজ হোসেন ইমন (১৩), উসমান খান (১৮) ও অধিনায়ক মোহাম্মদ মিথুন (৬) পাওয়ার প্লের মধ্যে আউট হলে চাপে পড়ে চিটাগাং।
দলের হাল ধরেন শামীম হোসেন। যদিও যোগ্য সঙ্গীর অভাবে তিনি ম্যাচটি আর নিজেদের করে নিতে পারেননি। ১৯তম ওভারে গিয়ে আউট হন ক্যারিয়ার সেরা ৭৮ রানের ইনিংস খেলে। ৩৮ বল মোকাবিলায় তার ইনিংসটি সাজানো চিল ৭ চার ও ৫ ছক্কায়। চিটাগাং হারে ৩৭ রানে।
সময়ের আলো/আরআই