ইফতারের আগে মেট্রোরেলে উঠতে পারবেন কিনা সে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন অনেকেই। বিকাল থেকে গন্তব্যে পৌঁছাতে সবাই দ্রুত মেট্রোরেলে ওঠার চেষ্টা করেন, এতে স্টেশনে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। একটি ট্রেন আসার পর যাত্রীরা একসঙ্গে উঠতে চায়, দরজার সামনে প্রচণ্ড ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। অনেকেই আর উঠতে পারেন না। আবার উঠতে পারলেও গাদাগাদি করে দাঁড়ানো যাত্রীদের মধ্যে কেউ কেউ কষ্ট করে ছোট্ট জায়গায় নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করেন। অনেকে হাতল বা সিট ধরে ঝুলে থাকেন, অনেক সময় ভিড়ের কারণে দরজা পর্যন্ত বন্ধ হতে দেরি হয়।
সোমবারও (১০ মার্চ) রাজধানীর উত্তরা, আগারগাঁও, ফার্মগেট ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন স্টেশনে ঘুরে দেখা যায়, ইফতারের আগ মুহূর্তে মেট্রো রেলে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।
রমজান মাস এলেই রাজধানী ঢাকার মেট্রোরেলে যাত্রীদের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ইফতারের আগে এই ভিড় চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। কর্মব্যস্ত মানুষের সঙ্গে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এ সময় মেট্রোরেলে উঠতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। ফলে স্টেশনে দেখা দেয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।
চাপ ও ভোগান্তি কমাতে ট্রেন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। তারা বলেন, দুই ট্রেনের মধ্যবর্তী সময় কমিয়ে আনলে দ্রুত সময়ে স্টেশন খালি হয়। অন্যথায় লম্বা সময় অপেক্ষার কারণে প্ল্যাটফর্মে যাত্রীর চাপ বাড়তে থাকে।
সচিবালয় স্টেশনে অপেক্ষমাণ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় অফিস শেষে মেট্রোরেল ধরি। কিন্তু রমজানে ইফতারের আগে ভিড় এতটাই বেড়ে যায় যে উঠতে পারবো কিনা সে নিয়েই দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।
অন্য এক যাত্রী রবিন আহমেদ বলেন, ট্রেনে ওঠার পর স্বস্তি পাই না, গাদাগাদি অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এক হাতে ব্যাগ, অন্য হাতে হ্যান্ডেল ধরারও সুযোগ পাই না।
আরেক যাত্রী জুয়েল মোল্লা বলেন, ইফতার আগে বাসায় ফেরার তাড়া থাকে। এতো যাত্রীর তুলনায় ট্রেন কম। তাই সরকার চাইলে বিকালে ট্রেন বাড়াতে পারে।