দেড় ঘণ্টা সড়ক অবরোধের পর বিক্ষোভ সমাবেশ, প্রতীকী অনশন এবং ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি দিয়ে শাহবাগ ছেড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।
খুলনা বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছিলেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) রাত সোয়া ১২টায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন ব্লকেড কর্মসূচির অন্যতম সংগঠক মোসাদ্দেক আলি ইবনে মোহাম্মদ।
তিনি কুয়েটের শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বুধবার (২৩ এপ্রিল) দেশের সব প্রকারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস বর্জনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সব ক্যাম্পাসে প্রতীকী অনশন এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেন তিনি।
এ ছাড়া বুধবার বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করার ঘোষণা দেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টা থেকে ঢাবির শিক্ষার্থীরা এ ব্লকেড কর্মসূচি শুরু করেন। রাত ১১টার পর তাদের সঙ্গে এসে যোগ দেয় বুয়েটের শিক্ষার্থীরা।
একে একে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজসহ রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অনেকেই এতে যোগ দেন। শিক্ষার্থীরা শাহবাগ চত্বরের চারদিকে অবস্থান নেন। তাদের অবস্থানের ফলে শাহবাগের চারদিকের সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শাহবাগের অবস্থান থেকে তারা কুয়েটের উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে নানা স্লোগান দেন।
এ সময় মিছিলে তারা ’দফা এক দাবি এক, কুয়েট ভিসির পদত্যাগ’, ’কুয়েট ভিসি চাই কী, গোলামি আর দালালি’; ’দালালি আর করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’, ’আমার ভাই অনশনে, ভিসি কেন সিংহাসনে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
এসটিও