গুলশান থানার অর্থ পাচার মামলায় বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার বাহারকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৩০ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে খায়রুল বাশারকে ১০ দিনের রিমান্ড শেষে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম, অর্গানাইজড ক্রাইমের এসআই খালিদ সাইফুল্লাহ তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমান কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে এদিন আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী ছিল না। গত ১৫ জুলাই খায়রুল বাশারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
এদিকে এদিন সিএমএম আদালতের প্রাঙ্গনে খায়রুল বাশারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন কয়েকশো ভুক্তভোগী। এদিন সকাল ৯টা থেকে আদালত এলাকায় জড়ো হন ভুক্তভোগীরা। এরপর সকাল ১০টা থেকে মানববন্ধন শুরু করেন তারা। এ সময় কয়েকজন বাশারের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন।
এর আগে ১৪ জুলাই সকালে মানিলন্ডারিং মামলায় বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান লায়ন এম কে খায়রুল বাশারকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মামলায় অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি বাশার, তার স্ত্রী খন্দকার সেলিমা রওশন ও ছেলে আরশ ইবনে বাশার চটকদার বিজ্ঞাপনের ফাঁদে ফেলে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য ১৪১ শিক্ষার্থীকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ১৮ কোটি ২৯ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৪৪৮ জন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৫৩ কোটি টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একাধিক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় গত ৪ মে সিআইডির এসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে মামলা করেন।