দুর্নীতির মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে রায় আজ। দেশের আদালতে এই প্রথম কোনো ব্রিটিশ এমপির রায় হতে যাচ্ছে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলমের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন।
গত ১৩ জানুয়ারি দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় শেখ রেহানা, টিউলিপ সিদ্দিক, রিজওয়ানা সিদ্দিক ও শেখ হাসিনাসহ মোট ১৫ জনকে আসামি করা হয়। পরে তদন্ত শেষে ১০ মার্চ আরও দুইজনকে যুক্ত করে মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।
অন্যান্য আসামিরা হলেন- জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ এবং পরে যুক্ত হওয়া দুই আসামি-সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। এর মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন খুরশীদ আলম। বাকিরা পলাতক।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে পূর্বাচল নতুন শহরে শেখ রেহানাকে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। ৩২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণে উঠে আসে, প্লট বরাদ্দ দেয়ার জন্য শেখ হাসিনার উপর চাপ প্রয়োগ করেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। দুদকের তদন্তে দেখা যায়, শেখ রেহানার নামে রাজউকের আওতাধীন সাভারের কোনাবড়িতে ১৬০ শতাংশ জমি এবং রাজধানীর সেগুনবাগিচা ও গুলশানে একটি করে ফ্ল্যাট রয়েছে। কিন্তু রাজউকের জমি নেয়ার সময় হলফনামায় নিজেকে ভূমিহীন দাবি করেন শেখ রেহানা।
সময়ের আলো/জেডআই