বলিউড অভিনেত্রী টুইঙ্কল খান্না ও কাজলের যৌথ সঞ্চালনায় একটি শো সম্প্রতি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তবে শোর খোলামেলা আড্ডা এবং বেফাঁস মন্তব্য নিয়ে বিতর্কও চলছে। সম্প্রতি টুইঙ্কল খান্নার এক মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল, যা তাকে তীব্র সমালোচনার মুখে ফেলে দেয়।
অক্টোবর মাসে সম্প্রচারিত একটি পর্বে টুইঙ্কল মন্তব্য করেছিলেন, ‘স্বামীদের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি নেই। এসব ছোট ভুল, তাই এগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া যায়।’ পরকীয়াকে এতটা হালকাভাবে দেখা এবং একে ‘ছোট ভুল’ হিসেবে আখ্যা দেওয়ায় নেটিজেনরা ক্ষুব্ধ হন এবং এই মন্তব্যকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
এত বিতর্কের পর, টুইঙ্কল খান্না অবশেষে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে উঠে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা আসলে তেমন গুরুতর কিছু ছিল না, এটা নিয়ে এত বেশি সমালোচনা হচ্ছে যা ঠিক নয়। আমি রসিকতার ছলে এটি বলেছিলাম। যদি মানুষদের এক সঙ্গী বা এক বিবাহের প্রতি সত্যিই আস্থাশীল হতে পারত, তাহলে আমরা হয়তো বিষয়টি নিয়ে বেশি মনোযোগী হতাম। এটা ছিল নিছকই মজা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যেটা বলেছি, সেটা একটা সামাজিক রসিকতা ছিল, যা আদর্শ বাস্তবতার সঙ্গে তফাৎ রেখেই করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন
তবে, টুইঙ্কলের এই ব্যাখ্যার পরও শো-কে ঘিরে বিতর্কের রেশ কাটেনি। সম্প্রতি, শোতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা করণ জোহর। সেখানে সঞ্চালকরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘মানসিকভাবে ঠকানো নাকি শারীরিকভাবে ঠকানো-কোনটা বড় অপরাধ?’ এই স্পর্শকাতর প্রশ্ন ও মন্তব্যও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
বলিউডের এই জনপ্রিয় শোর সঞ্চালক হিসেবে কাজল এবং টুইঙ্কলের এমন মন্তব্যে শোর টিআরপি বেড়েছে ঠিকই, তবে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন এই ধরনের বিতর্কিত মন্তব্য শোর জন্য লাভজনক হলেও, এটি সঞ্চালকদের সম্পর্কে মানুষের মনোভাবের পরিবর্তন ঘটাতে পারে।
এএডি/