সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাইবার হামলার সংখ্যা ও বাড়ছে এই অ্যাপে। প্রতারকরা সাধারণত ভুয়া অথেনটিকেশন কোড, ওটিপি, অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন কল বা ভুয়া লিংক পাঠানোর মাধ্যমে অন্যের অ্যাকাউন্টে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে হ্যাকড অ্যাকাউন্ট দ্রুত ফেরত আনা সম্ভব।
হ্যাক সন্দেহ হলে করণীয় : অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার সন্দেহ হলে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ মুছে ফেলে পুনরায় নির্দিষ্ট ফোন নম্বর দিয়ে লগইন করতে হবে।
ছয় সংখ্যার অথেনটিকেশন কোড প্রবেশ করালে হ্যাকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব ডিভাইস থেকে লগ আউট হয়ে যাবে। কিছু ক্ষেত্রে অ্যাপ নিজেই নম্বর যাচাই করতে পারে।
আগেই রিকভারি ই–মেইল যুক্ত থাকলে ‘ফরগট পিন?’ অপশন ব্যবহার করে নতুন পিন তৈরি করা যায়।
সিম সোয়াপ বা অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার : সিম বদলের (সিম সোয়াপ) ঝুঁকি থাকলে দ্রুত মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে হোয়াটসঅ্যাপ সাপোর্টে ([email protected]) ই–মেইল করে অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় করার অনুরোধ জানাতে হবে।
অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়ার পর ‘লিংকড ডিভাইসেস’ থেকে অচেনা যন্ত্র মুছে ফেলতে হবে এবং পরিচিতদের বিষয়টি জানাতে হবে।
ব্যাকআপ চালু থাকলে আগের চ্যাট ইতিহাস গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউড থেকে পুনরুদ্ধার করা যাবে।
হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকে মিডিয়া অটো ডাউনলোড বন্ধ রাখা।
অপরিচিতদের পাঠানো ছবি ডাউনলোড না করা।
ওটিপি, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নম্বর বা পাসওয়ার্ড হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার না করা।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে হোয়াটসঅ্যাপে সাইবার হামলার ঝুঁকি অনেকটা কমানো সম্ভব।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের তথ্য মতে, সাইবার হামলা থেকে নিরাপদে থাকার জন্য হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকে মিডিয়া অটো ডাউনলোড অপশন বন্ধ রাখাসহ বেশ কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
সময়ের আলো/এনএ