চরিত্রের প্রয়োজনে চলচ্চিত্র শিল্পীদের নানা সময় অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে হয়। যা নিয়ে পরে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়। এবার অভিনয় আর অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ব্যাপারে চিত্রনায়িকা ত্রিধা চৌধুরী খোলামেলা আলাপ করেছেন। এতে পর্নো সাইটের তার ছবি প্রসঙ্গে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন তিনি। তিনি মনে করেন, অভিনেত্রীদের চরিত্রের কারণে প্রায়ই নানা নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষ করে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করলে নানা ধরনের বিতর্ক হয়।
ত্রিধা বলেন, ‘একজন অভিনয়শিল্পী যে সীমা মেনে কোনও চরিত্রে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে সম্মত হয়েছেন, সেটার পেছনে অনেক নিবেদন থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ‘আশ্রম’-এ আমার চরিত্রটি যৌনকর্মী। তাই পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্য থাকতেই পারে। কিন্তু এই দৃশ্যের শুটিং করার সময় আমি উপভোগ করছি না যদিও এটি আমার কাজের অংশ। এরপর সম্পাদনার টেবিলে টিমমেটরা আমাকে আরও সৃজনশীলভাবে উপস্থাপন করতে পারত।’
ত্রিধা আরও বলেন, ‘প্রোডাকশন টিমের উচিত ছিল এ ধরনের অন্তরঙ্গ দৃশ্য পর্নো সাইটে যেন ছড়িয়ে না পড়ে, সেটা নিশ্চিত করা। এটা নির্মাতারও দায়িত্ব। কোনও কারণে ছড়িয়ে পড়লে সেটা যে কোনও মূল্যে দ্রুত বন্ধ করা।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিনেমার অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলো ইদানীং রিলস আর শর্টসেও জায়গা পাচ্ছে। আমরা পর্দায় একজন অভিনয়শিল্পীকে দেখলে ভুলে যাই যে তারা শুধু কাজ করছেন। বিশেষ করে একজন অভিনেত্রীকে বারবার ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে বা কিছু চরিত্রে দেখলে আমরা তাকে ‘যৌন আবেদনময়ী’ বানাই। আমাদের বুঝতে হবে, সবই চরিত্রের জন্য করা। বাস্তব জীবনের সঙ্গে মিল নেই।’
মুম্বাইয়ে হিন্দি সিরিজ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া ত্রিধা চৌধুরী ‘আশ্রম’ সিরিজে ববি দেওলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করে নানা আলোচনার জন্ম দেন। এ দৃশ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি খুবই নার্ভাস ছিলাম। তবে শুটিং শুরু হওয়ার পর ববি দেওল এবং অন্য অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করা বেশ সহজ হয়ে গেছে। পরিচালক প্রকাশ ঝা–ও সহযোগিতা করেছেন। যে কোনও সংবেদনশীল দৃশ্যে আসলে সবারই সহযোগিতা প্রয়োজন হয়, এটা শিল্পীদের আত্মবিশ্বাসী করে।’
সময়ের আলো/এনএ