উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমশই কমছে। টানা তিন দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। এর মধ্যে শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। দিনরাতের প্রচণ্ড ঠান্ডায় কাহিল জনজীবন। সকাল-সন্ধ্যা ঘনকুয়াশা আর উত্তরের হিমশীতল বাতাসে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
গতকাল সোমবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি। দিনের তাপমাত্রা (সর্বোচ্চ) রেকর্ড করা হয় ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি। তবে সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় চলতি শীত মৌসুমের তৃতীয় দফার শৈত্যপ্রবাহ।
এর আগে ১০ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ডের মাধ্যমে শুরু হয় চলতি শীত মৌসুমের ১ম দফায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এরপর টানা নয় দিন বয়ে চলে এই শৈত্যপ্রবাহ। ১ ও ২ জানুয়ারি বয়ে যায় দ্বিতীয় শৈত্যপ্রবাহ। সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ আবারও নেমে যায় ১০ ডিগ্রির নিচে।
স্থানীয়রা জানায়, জানুয়ারির শুরু থেকেই এই এলাকায় শীত বেড়ে গেছে। গত তিন দিন ধরে মেঘাচ্ছন্ন থাকছে আকাশ। দিনভর হালকা কুয়াশার সঙ্গ হিমশীতল বাতাসে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। মানুষজন কাজকর্ম করতে পারছে না। দিনে ঠিকঠাক সূর্য দেখা যায় না। রাতেও বৃষ্টির মতো টিপটিপ করে কুয়াশা ঝড়ছে। দিনের আলোতেও সড়ক-মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। শহরের থেকে গ্রামাঞ্চলের মানুষজন খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ।
আরআর