নোয়াখালীর হাতিয়ায় ইউটিউবে ওয়াজ শুনে ইসলাম গ্রহণ করেছেন হৃদয় চন্দ্র দাস (২৭)। ইসলাম গ্রহণের পর তার নাম রাখা হয় মো. আব্দুল্লাহ।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলা সদরে অ্যাডভোকেট ফজলে আজিম তুহিনের চেম্বারে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন তিনি।
নওমুসলিম মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ পেশায় একজন পল্লি চিকিৎসক। তিনি সোনাদিয়া ইউনিয়নের গৌরাঙ্গ বাবুর বাড়ির জগন্নাথ চন্দ্র দাসের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউটিউবে ওয়াজ, কোরআনের তাফসির ও রাসুল (সা.)-এর জীবনকথা শুনতেন নওমুসলিম আব্দুল্লাহ। এসব বিষয় তার মনে গভীর প্রভাব ফেলে। ইসলামের শান্তি, শৃঙ্খলা ও মানবিক জীবনব্যবস্থা তাকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়। একপর্যায়ে আত্মিক প্রশান্তির খোঁজে তিনি ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।
ধর্মান্তরের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয় আইনানুগভাবে। এ উপলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় হলফনামা ও নোটারি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। পরে স্থানীয় মুসল্লি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আব্দুল্লাহ কালেমা পাঠের মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করেন। উপস্থিত মুসল্লিরা নবাগত মুসলমান ভাইকে আলিঙ্গন ও তার জন্য দোয়া করেন।
উপস্থিত স্থানীয় আলেমগণ বলেন, আল্লাহ যাকে হেদায়েত দিতে চান, তার জন্য নানা পথ খুলে দেন। নবাগত মুসলমান ভাইয়ের ঈমান দৃঢ় হোক। তার নতুন জীবন হোক ইসলামের আলোয় আলোকিত।
ইসলাম গ্রহণের পর অনুভূতির কথা জানিয়ে মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ওয়াজ শুনতে শুনতে আমার ভেতরে এক ধরনের আলো কাজ করতে শুরু করে। আজ মনে হচ্ছে আমি সঠিক পথ খুঁজে পেয়েছি। মনে শান্তি অনুভব করছি। আমার পরিবারের সবাইকে ইসলামের ছায়াতলে আসার দাওয়াত দেব।
অ্যাডভোকেট ফজলে আজিম তুহিন বলেন, স্থানীয় কয়েকজন ইমাম এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আমার চেম্বারে আসেন। হৃদয় চন্দ্র দাসের ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি জানান। আমি যথাযথ নিয়ম মেনে আদালতের হলফনামার মাধ্যমে তার কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন করি।
আআ/আরআর