বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন যমুনা সার কারখানার উপ-প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় ২৩ মাস বন্ধ থাকার পর গত ২৩ ডিসেম্বর যমুনা সার কারখানায় পুনরায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়। তবে, চালুর মাত্র ১৩ দিনের মাথায় গত ৫ জানুয়ারি রাতে একটি প্লান্টে ইন্টার্নাল ও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় আবারও ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
সূত্র আরও জানায়, যমুনা সার কারখানা থেকে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ীসহ উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলার প্রায় আড়াই হাজার ডিলার সার উত্তোলন করেন। উৎপাদন দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে কারখানার কমান্ডিং এলাকায় সার সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কারখানার উপ-প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ৫ জানুয়ারি রাত থেকে ইউরিয়া সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই উৎপাদনে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
কারখানার জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন জানান, কারখানার একটি প্লান্টে ইন্টার্নাল বিষয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পুনরায় উৎপাদনে ফেরার আশা করছি।
এর আগে, ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন বজায় রাখার সিদ্ধান্তের কারণে ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড যমুনা সার কারখানায় গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয়। এতে অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এবং বহু শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েন। তবে
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রতিষ্ঠিত দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী যমুনা সার কারখানাটি দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা রাখে।
এফআর