পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে এসময় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক বার্তা তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে পৌঁছে দিতে শনিবার বিকাল পাঁচটার দিকে দশমিনা বিএনপি কার্যালয়ে সফরে আসেন বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন।
এসময় জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শিপলু খান ও ছাত্রদল নেতা ইখতিয়ার কবির সমর্থিত নেতাকর্মীরা ‘তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত, চূড়ান্ত-চূড়ান্ত’ স্লোগান দেয়। এনিয়ে বিএনপির বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা হাসান মামুনের সমর্থকদের সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। পরে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও দশমিনা থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এদিকে, এদিন বিকেল ৬টার দিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল আলিম তালুকদারের সভাপতিত্বে উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জোটের প্রার্থী, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের পক্ষে কাজ করার স্পষ্ট নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন।
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই আসনে জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুর। আমি এখানে এসেছি তার পক্ষে কাজ নিশ্চিত করতে। তার মার্কার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এটাই কেন্দ্রের নির্দেশ।
প্রসঙ্গত, পটুয়াখালী-৩ আসনে দলীয় কোনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। দলটি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরুকে সমর্থন দিয়েছে। তবে আসটিতে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এফআর