প্রকাশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৯ এএম
সংগৃহীত ছবিবাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএল দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোনো অবস্থাতেই যেন বিবিএলের গায়ে ফিক্সিং কালি না লেগে যায় সেভাবে সোচ্চার দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
অ্যালেক্স মার্শালের নেতৃত্বাধীন বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট আসর শুরুর আগ থেকে স্বাধীনভাবে নিজেদের কাজ করছে। তারপরও টুর্নামেন্ট চলাকালে বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে ঢাকা ক্যাপিটালস আকুর কার্যক্রমে বিরক্তি প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনও করেছে।
এ ব্যাপারে গতকাল পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে বিসিবি। এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, আইসিসির বৈশ্বিক ইন্টেগ্রিটি কাঠামোর আওতায় চলতি বিপিএলের যেকোনো বিশ্বাসযোগ্য সন্দেহের ভিত্তিতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অ্যালেক্স মার্শালের নেতৃত্বাধীন বিসিবি ইন্টেগ্রিটি ইউনিট জানায়, এসব কার্যক্রম বিসিবির দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিরই অংশ এবং ক্রিকেটে অনিয়ম রোধে বোর্ডের দৃঢ় অবস্থানকে তুলে ধরে। ফলে কোনো খেলোয়াড় বা ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তার অধিকার লঙ্ঘন করা হয়নি। এই প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের ফলে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত সতর্কবার্তা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে এসেছে।
বিবৃতিতে বিসিবি আরও জানায়, নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলা হয়েছে। সাক্ষী হিসেবে তাদের কাছ থেকে খেলোয়াড় নিয়োগ প্রক্রিয়া, চুক্তির শর্ত এবং পারিশ্রমিক কাঠামো যাচাই করা হয়েছে।
তবে এসব বৈঠক ছিল সম্পূর্ণ গোপনীয় ও প্রতিরোধমূলক এবং এর অর্থ এই নয় যে, সংশ্লিষ্ট কোনো খেলোয়াড় তদন্তের আওতায় রয়েছেন বা তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তদন্তে কোনো খেলোয়াড় বা ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তার অধিকার লঙ্ঘন করা হয়নি বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে বিসিবি।
সময়ের আলো/এআর