প্রকাশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৬ এএম
সংগৃহীত ছবিপ্রস্তুতির ঘাটতি থাকলেও প্রথমবারের মতো আয়োজিত মেয়েদের সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে দারুণ আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।
থাইল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে ভালো ফল নিয়ে দেশে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। মঙ্গলবার মালদ্বীপ ও ভারতের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এই আসরের। তবে বাংলাদেশের মিশন শুরু হবে বৃহস্পতিবার, যেখানে সাবিনাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত।
টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে গতকাল অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক ও কোচ সাঈদ খোদারাহমির কণ্ঠে আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন দেখা গেছে।
কোচ বলেন, ‘এই আয়োজনের জন্য এএফসি, এএফএফ এবং সাফকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশে নারী দলের জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় এটিই প্রথম সাফ (ফুটসাল) আয়োজন। আমার মনে হয় সব দলই সমান পর্যায়ের; কারণ এটি সবার জন্যই নতুন। খেলোয়াড় নির্বাচনের জন্য আমরা মাত্র এক মাস সময় পেয়েছি এবং আপনারা জানেন যে আমাদের সব খেলোয়াড়ই মূলত ফুটবলার, কারণ বাংলাদেশে কোনো ফুটসাল নেই।’
কোচ আরও বলেন, ‘আমি মিয়ানমারে গিয়েছি, যা এখন বাংলাদেশের মতোই। আমি এই দেশের (বাংলাদেশ) জন্য পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা চাই। আমি যখন মিয়ানমারে গিয়েছিলাম তখন তাদের র্যাঙ্কিং ছিল ১০৩, এখন আলহামদুলিল্লাহ তাদের র্যাঙ্কিং সম্ভবত ৬৯ বা ৬৮। আমি খুবই আনন্দিত। শুরুর জন্য সব দেশেরই ভালো পরিকল্পনা এবং ভালো ভিত্তি প্রয়োজন। আমি আশা করি ভবিষ্যতে সাফ কোয়ালিফিকেশন ধাপ পেরিয়ে ইনশাআল্লাহ বিশ্বকাপে যাবে। আমি আশাবাদী, কারণ এখানে সম্ভাবনা আছে।’
এই টুর্নামেন্টটি অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের জন্য একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ দলের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে কেবল তার একারই ফুটসালে খেলার পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ফুটবল মাঠ কাঁপানো এই তারকা দেশের হয়ে দুটি সাফ ফুটবল শিরোপা জিতেছেন। এবার ফুটসালের আঙিনায়ও নেতৃত্বের ভার তার কাঁধে।
দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার গর্ব নিয়ে সাবিনা জানান, প্রস্তুতির সময় কম পেলেও তারা নিজেদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত। ঢাকার মাটিতে যে আশার কথা শুনিয়েছিলেন, থাইল্যান্ডে গিয়েও সেই একই বিশ্বাসের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
অধিনায়ক বলেন, ‘আপনারা জানেন যে আমি ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে খেলেছি এবং ফুটসালটা হচ্ছে আমাদের জন্য একেবারেই নতুন। তবে আমাদের বিশ্বাস আছে টুর্নামেন্টটাতে ভালো কিছু করার এবং দেশের জন্য খেলাটা তো সবসময় গর্বের বিষয় এবং ইনশাআল্লাহ সেটাই আমাদের দৃঢ় লক্ষ্য।
সময়ের আলো/এআর