ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য ২ দিনের সময় গ্রহণ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য আদালতে হাজির হয়ে এ সময় প্রার্থনা করেন বাদী। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৫ জানুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।
এদিন শুনানির আগে এ মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ও হাদির ভাই ওমর হাদি উপস্থিত ছিলেন। বাদীপক্ষে আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল সময় আবেদন করে শুনানি করেন। শুনানির পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাদী জাবের বলেন, আমরা ২ দিন সময় নিয়েছি। ১৫ জানুয়ারি আপত্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
আরও পড়ুন
এদিকে গত ৬ জানুয়ারি এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল হওয়ার পর বাদী প্রতিক্রিয়ায় বলেছিলেন, সরকার বলেছে যে, একজন ওয়ার্ড কমিশনার নাকি ওসমান হাদিকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছে। যার বদৌলতে ফয়সাল করিম মাসুদ খুন করেছে। এটা তো পাগলেও বিশ্বাস করবে না। ওসমান হাদিকে খুনের সঙ্গে একটা পুরো খুনের চক্র জড়িত রয়েছে। এই খুনের পেছনে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত রয়েছে। তাদের বিচারের মুখোমুখি না করা পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই থামবে না। যেই অভিযোপত্রে তাদের নাম নেই, সেই অভিযোপত্র মানি না।
গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ, ফয়সালের সহযোগী আলমগীর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফিলিপ স্নাল ফিলিপস, মুক্তি আক্তার এবং ফয়সালের বোন জেসমিন আক্তার। তারা পলাতক আছেন।
বাকী ১১ আসামি কারাগারে আটক রয়েছেন। তারা হলেন ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট এ কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবির, সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু ও নরসিংদীতে অস্ত্রসহ আটক মো. ফয়সাল।
এএডি/