এক
দিন দাম বেড়ে পর দিন আবারও দরপতন হয়েছে বীমা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার।
ফলে বৃহস্পতিবার দেশের সার্বিক শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ দিন
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার
পাশাপাশি কমেছে প্রধান মূল্যসূচক। তবে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। অন্য
শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম কমার তালিকায় বেশি
প্রতিষ্ঠান থাকলেও মূল্যসূচক বেড়েছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।
জানা
যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ বীমা কোম্পানির শেয়ার
দাম বাড়ার মাধ্যমে। এতে লেনদেনের শুরুতে মূল্যসূচকও বাড়তে দেখা যায়। তবে
লেনদেনের শেষ দিকে বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার দামে ঢালাও দরপতন হয়।
যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্য খাতেও। ফলে দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার
পাশাপাশি প্রধান মূল্যসূচক কমেই দিনের লেনদেন শেষ হয়। দিনের লেনদেন শেষে
ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১০২টি প্রতিষ্ঠানের
শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ২২০টির। আর ৬৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
অপরদিকে তালিকাভুক্ত বীমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬টির শেয়ার দাম বেড়েছে। আর
৪৯টির শেয়ার দাম কমেছে এবং দুটির শেয়ার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে
ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর
মধ্যে ৫২টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১২১টির দাম কমেছে এবং ৩২টির দাম
অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ১৪টি
কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৫৫টির দাম কমেছে এবং ১১টির দাম
অপরিবর্তিত রয়েছে। এ ছাড়া বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’
গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৬টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে
দাম কমেছে ৪৪টির এবং ২৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল
ফান্ডগুলোর মধ্যে ৪টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৯টির দাম কমেছে এবং ২১টির দাম
অপরিবর্তিত রয়েছে।
এ দিকে অধিকাংশ বীমা কোম্পানির শেয়ার দাম কমার
দিনে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট কমে ৪
হাজার ৯৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১
পয়েন্ট কমে ৯৯৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে
গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯১২ পয়েন্টে
উঠে এসেছে। প্রধান মূল্যসূচক কমলেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়
৩৬৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ১০
কোটি ১৩ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে টানা চার কার্যদিবস ডিএসইতে লেনদেন ৩০০ কোটি
টাকার ঘরে থাকল। এই লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে স্কয়ার
ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার।
সময়ের আলো/এসকে/