একটি গাড়ি মানে একটি পরিবারের স্বপ্ন। তাই গাড়ি ক্রয়ের সঙ্গে সঙ্গে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে আইনি জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি থাকে। এই অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করবেন কীভাবে তার নিয়মকানুন জেনে নেওয়া যাক আজ :
মালিকানা পরিবর্তনের জন্য ক্রেতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
ফর্ম টিও ও টিটিও : বিআরটিএ অফিস বা ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহযোগ্য।
ফি জমা : গাড়ির ধরনভেদে নির্ধারিত ফি ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
কাগজপত্র : টিআইএন সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র, ঠিকানা প্রমাণপত্র, নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর।
ফিটনেস ও রুট পারমিটসংক্রান্ত নথি : রেজিস্ট্রেশন কপি, ট্যাক্স টোকেন ইত্যাদি।
চিঠি : ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সাধারণ ফর্ম, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য অফিসিয়াল প্যাডে আবেদনপত্র।
ইংরেজি ব্লক লেটারে লেখা : স্বাক্ষর নমুনা ও ছবি সংযুক্ত করতে হবে।
গাড়ি পরিদর্শন : বিআরটিএ অফিসে গাড়ি সরেজমিন দেখাতে হবে।
স্বাক্ষর যাচাই : বিক্রেতাকে সঙ্গে নিয়ে আসা উত্তম, যাতে স্বাক্ষরজনিত কোনো সমস্যা না হয়।
মালিকানা পরিবর্তনের জন্য বিক্রেতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
টিটিও ফর্ম ও বিক্রয় রশিদ : অফিস থেকে সংগ্রহ করে স্বাক্ষর করতে হবে।
হলফনামা : জুডিশিয়াল/নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে।
প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথি : বোর্ড রেজুলেশন, অনুমোদনপত্র ইত্যাদি।
ঋণসংক্রান্ত ছাড়পত্র : গাড়ি লোনে কেনা হলে ব্যাংকের এনওসি ও লোন স্টেটমেন্ট জমা দিতে হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর : বৈধ নাগরিক বাধ্যতামূলক।
স্বাক্ষর সঠিক রাখা : গরমিল হলে বিক্রেতাকেই সশরীরে অফিসে হাজির হয়ে স্বাক্ষর করতে হবে। গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের সময় উভয়পক্ষেরই উচিত বিআরটিএ অফিসে সরাসরি উপস্থিত হয়ে সব কাগজপত্র ও স্বাক্ষর সম্পন্ন করা।
মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকলে ভবিষ্যতে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই বড় ধরনের আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।
এফআর