ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে অভ্যন্তরের ভাসমান দোকানসমূহ থেকে ছাত্রদল এবং ছাত্রশক্তির নেতাদের চাঁদাবাজির প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে ডাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দ ও একদল শিক্ষার্থী।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দিবাগত সাড়ে বারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল পাড়া থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয় এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। এ সময় তারা একশন ,একশন ,ডাইরেক্ট একশন, চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন; চাঁদাবাজদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে নাসহ ইত্যাদি স্লোগান দেয়।
সমাবেশে ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, আজকে চাঁদাবাজি ধরা পড়েছে, এটি প্রমাণ করে এমন আরও শত শত চাঁদাবাজি হয়েছে। এই চাঁদাবাজরা টিএসসি, সেন্টাল লাইব্রেরি, নীলক্ষেত , মেট্রোরেলের নিচে থেকে চাঁদাবাজি করে। আমার জুলাই অভ্যুত্থানের পরবর্তী চেয়েছিলাম ক্যাম্পাসে কোনো চাঁদাবাজি হবে না।
তিনি বলেন, তারেক রহমান যখন বলেছিলেন আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান, এরপর থেকেই কতগুলো হত্যাকান্ড হলো, চাঁদাবাজি হলো , গ্রুপে গ্রুপে মারামারি হলো।
তারেক রহমানকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আপনার চাঁদাবাজদের থামান। নাহলে ছাত্রলীগকে যেভাবে বিতারিত করা হয়েছিল সেভাবে এদেরও বিতারিত করবে ছাত্রজনতা। আপনার দলের চান্দাবাজদের সামলান অন্যথায় এদেশে দাঁড়ানোর জায়গা পাবেন না। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তীতে আর কোনো চাঁদাবাজি দেখতে চাই না। অতি দ্রুত এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন, অন্যথায় আমরা ধরে নিবো তারেক রহমান এর সঙ্গে জড়িত।
এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চাঁদাবাজদের ছাত্রত্ব বাতিল করার দাবি জানান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম যুবা বলেন, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ডাকসু ও প্রশাসন উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল তখন ছাত্রদলসহ বামপন্থী কিছু মানুষ শিক্ষার্থী সেজে মিছিল করেছিল। আজকে তাদের চাঁদাবাজি করতে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে তুলে দিবে হবে। একইসঙ্গে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করবে। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তাহলে যত ধরণের নৈতিক প্রতিরোধ আছে গড়ে তুলব।
এসময় বিক্ষোভকারীরা পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে প্রশাসন থেকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য স্বারকলিপি প্রদান করার কথা জানান।
/এমএইচআর