সময়ের অন্যতম আলোচিত জুটি ইয়াশ রোহান ও নাজনীন নীহা এবার জড়ালেন রাজনৈতিক বিরোধে। না, না সত্যি সত্যি নয়, এই দুই অভিনেতা-অভিনেত্রীকে পলিটিক্যাল থ্রিলার ঘরানার গল্প নিয়ে নির্মিত নাটক ‘জনম জনমে’-এ দেখা যাবে এমন চরিত্রে। রায়হান মাহামুদের রচনায় সিএমভির ব্যানারে নাটকটি নির্মাণ করেছেন মো. তৌফিকুল ইসলাম।
নাটকটির গল্প প্রসঙ্গে নির্মাতা তৌফিকুল ইসলাম বলেন, যেহেতু গল্পটি পলিটিক্যাল রোমান্টিক থ্রিলার ঘরানার, সেহেতু গল্পের বিষয়ে খুব বেশি বলতে চাই না। তবে এটুকু কথা দিতে পারি, গল্পটি দেখে যে কেউ হতচকিত হবেন। কারণ এটাই রাজনীতি। আমার শিল্পীরা দারুণ অভিনয় করেছেন যে যার চরিত্রে, কৃতজ্ঞতা সিএমভির প্রতি।
এর প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘জনম জনমে’ আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই মুক্তি পাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির ইউটিউব চ্যানেলে। তার ভাষ্য- এই গল্পের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি নিখাদ একটি গ্রামীণ প্রেমের গল্প। যেহেতু খানিকটা নির্বাচনের আবহ আছে গল্পে, সেহেতু নাটকটি আমরা এই সময়টাতে মুক্তি দিতে চাই। আশা করছি গল্পটি সবার ভালো লাগবে।
আরও পড়ুন
‘জনম জনমে’র গল্পে দেখা যাবে, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব মিয়া পাশাপাশি বাসায় থাকেন। দুজনের মধ্যে অম্ল-মধুর সম্পর্ক। দুজনেই পরের ইলেকশনে নমিনেশন চায়। আলতাফ হোসেনের মেয়ে নিদ্রা, পড়াশোনা শেষ করে এখন বাবার সঙ্গে রাজনীতি করে। এদিকে আলতাফ হোসেনের ছেলে পুলকও তার বাবার পক্ষে রাজনীতি করে। নিদ্রা ও পুলকের মধ্যে সম্পর্ক একেবারে দা-কুমড়া। দুজনেই গ্যাং নিয়ে চলাফেরা করে। এলাকার মানুষ বিরক্ত হয়ে তাদের দা-কুমড়া সম্পর্কের অবসানের জন্য পরামর্শ চায় ফজলুর রহমানের কাছে। যিনি এলাকার অরাজনৈতিক ব্যক্তি, উপজেলার অভিভাবক হিসেবে সর্বজন শ্রদ্ধেয়। যাকে সমীহ করে চলে খোদ আলতাফ হোসেন এবং মোতালেব মিয়াও। মূলত এখান থেকেই শুরু হয় ‘জনম জনমে’র মূল গল্প।
নাটকটিতে ইয়াশ-নীহা ছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, লুৎফর রহমান জর্জ, শতাব্দী ওয়াদুদ, মিলি বাশার, পলিন প্রমুখ।
এএডি