নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশের জবাব দিয়েছেন পঞ্চগড়-১ আসনের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) পৃথকভাবে নিজেদের লিখিত জবাব দাখিল করেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম ও বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। পঞ্চগড় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামানের তাদের জবাব গ্রহণ করেন।
এর আগে, শনিবার বিকেলে নির্বাচনি বিধি ভঙ্গের দায়ে ২৪ ঘণ্টার সময় বেধে দিয়ে তাদের ওপর শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছিল।
জানা গেছে, রোববার সকালে জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে সশরীরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হন ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
লিখিত জবাবে তিনি উল্লেখ করেন, ২৩ জানুয়ারির জনসভায় ব্যবহৃত ব্যানার ও তোরণগুলো স্থানীয় সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত আবেগ থেকে তৈরি করা, যেখানে তার (সারজিস আলম) সরাসরি কোনো অনুমোদন ছিল না। তবে বিষয়টি নজরে আসা মাত্রই সেগুলো অপসারণ করা হয়েছে। ফেসবুক পেজের তথ্য দাখিল না করার বিষয়টি ‘অনিচ্ছাকৃত’ উল্লেখ করে তিনি ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
অন্যদিকে, রোববার বিকেলে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে তার নির্বাচনি এজেন্ট মুহম্মদ নওফল আরশাদ জমির শোকজের জবাব দাখিল করেন। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘অসম আচরণের’ অভিযোগ তোলা হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রশাসন নমনীয় থাকলেও বিএনপির ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নেওয়া হচ্ছে।
ব্যানার সংক্রান্ত অভিযোগকে তারা ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন যে, আইন মেনেই সব করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান জানান, দুই প্রার্থীর দাখিল করা জবাব এখন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিধি মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন সহ্য করা হবে না বলেও জানান তিনি।
এফআর