বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, খাবার ও মানুষের আবেগকে উদ্যাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত ‘সিলন আমার শহর চট্টগ্রাম’ ক্যাম্পেইনের মেগা ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের নেভি কনভেনশন সেন্টারে এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শহরটির জানা-অজানা নানা গল্প ও স্মৃতি তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ছয় বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
দেশের বিভিন্ন শহরের নিজস্ব পরিচয় ও সংস্কৃতিকে সারাদেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে আবুল খায়ের গ্রুপের মালিকানাধীন ‘সিলন টি’ শুরু করেছে ‘সিলন আমার শহর’ ক্যাম্পেইন। এই প্রচারণার প্রথম গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল চট্টগ্রামকে। উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাজারে আনা হয় বিশেষ নকশার সিলন টি প্যাকেজিং এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আয়োজন করা হয় ‘আমার শহর’ ডিজিটাল কনটেস্ট। মেগা ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত বিজয়ীদের মাঝে বিশেষ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজনে পুরোনো চট্টগ্রামের চিত্রকর্ম, ঐতিহাসিক নিদর্শন, স্থাপত্য, বন্দর ও রেলওয়ের গল্প এবং স্থানীয় খাদ্যসংস্কৃতি (মেজবান, বেলা বিস্কুট ইত্যাদি) প্রর্দশনের পাশাপাশি এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘সিলন আমার শহর বিশেষ ব্যক্তিত্ব সম্মাননা’ প্রদান। নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের মাধ্যমে চট্টগ্রামের সংস্কৃতি ও সমাজকে সমৃদ্ধ করার স্বীকৃতি হিসেবে পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন— একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক আবুল মোমেন, স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ জেরিনা হোসেন, নগর পরিকল্পনাবিদ ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন মজুমদার এবং লেখক ও গবেষক হারুন রশিদ।
আবুল খায়ের গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহীদুল্লাহ চৌধুরী সম্মানিত ব্যক্তিত্বদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যমকর্মী ও বিজয়ীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, চট্টগ্রামের এই সফল আয়োজনের পর ‘সিলন আমার শহর’ এবার দেশের অন্য আরেকটি শহরের গল্প নিয়ে হাজির হবে।
সময়ের আলো/এনএন