মাঝ মাঘেই বসন্তের বার্তা

পঞ্চগড় সংবাদদাতা

সারাদেশ

উত্তরের শেষ প্রান্তে এখন যেন বসন্তের আগাম বার্তা। মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা অনেকটাই কমেছে। দীর্ঘদিনের হাড়কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহ

2026-01-26T22:08:30+00:00
2026-01-26T22:08:30+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬,
৪ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
মাঝ মাঘেই বসন্তের বার্তা
পঞ্চগড় সংবাদদাতা
প্রকাশ: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম 
প্রতীকী ছবি
উত্তরের শেষ প্রান্তে এখন যেন বসন্তের আগাম বার্তা। মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা অনেকটাই কমেছে। দীর্ঘদিনের হাড়কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহ শেষে জেলায় এখন রোদেলা দিনের দেখা মিলছে। তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির ওপরে উঠার কারণে জনজীবনে ফিরতে শুরু করেছে কর্মচাঞ্চল্য।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এক দিন আগে রোববার তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া দফতরের মানদণ্ড অনুযায়ী, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ওপরে উঠায় এই মুহূর্তে জেলায় কোনো শৈত্যপ্রবাহ নেই। শৈত্যপ্রবাহ কেটে যাওয়ায় এখন ভোরের আকাশ কুয়াশাহীন আর রৌদ্রোজ্জ্বল। সকাল গড়িয়ে ১০টা বাজতেই রোদের উত্তাপ বাড়ছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠায় দুপুরে এখন রীতিমতো গরম অনুভূত হচ্ছে। তবে সন্ধ্যার পর থেকে ভোরে সূর্য উঠার আগপর্যন্ত এখনও থাকছে হালকা শীতের আমেজ। ঠান্ডার দাপট কমায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন পাথর ও চা শ্রমিকরা। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন খেটে খাওয়া দিনমজুররাও।
আরও পড়ুন

এ বিষয়ে জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, তাপমাত্রা বেড়ে এখন ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে পৌঁছেছে। বর্তমানে শৈত্যপ্রবাহের কোনো প্রভাব নেই। দিনের বেলা তাপমাত্রা বেশ বাড়ছে। তবে রাতের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকায় তাপমাত্রা কিছুটা কমে শীত অনুভূত হচ্ছে বলেও জানান তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায়।

আবহাওয়া অফিস বলছে, সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। দীর্ঘস্থায়ী ঠান্ডার পর এমন রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া সীমান্ত জনপদে স্বস্তি আর কর্মচাঞ্চল্য ফিরিয়ে এনেছে।

সরেজমিন কথা হয় চা শ্রমিক নাসিরের সঙ্গে। এ সময় তিনি জানান, তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়েছে। কয়েক দিন ধরে আগের যে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা ছিল সেটা আর নেই। তবে সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত বেশ ঠান্ডা অনুভব করা যায়। দিনের বেলায় বেশ গরম অনুভব হচ্ছে। একই ধরনের কথা জানান শহিদুল ইসলাম এবং বশির আলম নামের দুই পাথর শ্রমিক। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে আর ঘন কুয়াশায় চারপাশ ঢেকে থাকছে না, রোদের দেখা মিলছে। তাই ঠান্ডা অনেকটাই কমেছে।

কাজে যেতে সমস্যা হচ্ছে না। তবে নদীর পানি বেশ ঠান্ডা থাকে। তারপরও একটু কষ্ট হলেও রোদের কারণে স্বস্তিতে রয়েছি। কথা হয় ফিরোজা ও গুলজান নামের দুই গ্রামীণ নারীর সঙ্গে। আলাপকালে তারা জানান, ভোরের দিকে ভালোই ঠান্ডা অনুভূত হয়। সকাল ৯টা পর্যন্ত ঠান্ডা লাগে। এরপর থেকে রোদের তাপ বাড়ার কারণে ঠান্ডার প্রভাব কেটে গরম অনুভব করা যায়। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে এবার গরম খুব তাড়াতাড়ি পড়বে।

এএডি/
  বিষয়:   মাঘ  বসন্ত  শীত  গরম  ঠান্ডা 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: