ইরানে আগেরবারের চেয়ে বড় ধরনের হামলা হবে বলে নতুন করে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ব্যাক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এমন মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ইরান যদি হামলা আটকাতে চায় তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে হবে। এছাড়া কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না ইরান।
এর আগে গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। দুই সপ্তাহব্যাপী ওই যুদ্ধে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ করে ইরান। পরে মার্কিন হামলার পর দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়।
এবার ওই হামলার চেয়ে বড় হামলা হবে হুমকি দিয়ে ট্রাম্প লিখেছেন, বিশাল এক যুদ্ধজাহাজের বহর ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড শক্তি আর নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এটি বেশ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। এর আগে ভেনেজুয়েলায় যে বাহিনী পাঠানো হয়েছিল, বিশাল রণতরী ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’-এর নেতৃত্বে থাকা এই বহরটি তার চেয়েও বড়। তারা যেকোনো সময় অভিযানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। আর প্রয়োজন পড়লে অনেক দ্রুত এবং ভয়াবহ হামলা চালাতেও তারা পিছপা হবে না।
আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ইরান দ্রুত আলোচনার টেবিলে আসবে এবং একটি সঠিক চুক্তিতে রাজি হবে। স্পষ্ট কথা হলো—কোনো পরমাণু অস্ত্র রাখা যাবে না। এই চুক্তি সবার জন্যই ভালো হবে। সময় কিন্তু শেষ হয়ে আসছে, হাতে একদমই সময় নেই! আমি ইরানকে আগেও বলেছি, একটা সমাধানে আসুন। তারা শোনেনি বলেই গত জুনে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ হয়েছিল এবং ইরানের অনেক বড় ক্ষতি হয়ছিল। পরের বার হামলা হলে এটি আরও মারাত্মক হবে! তাই আবারও তেমন পরিস্থিতি ডেকে আনবেন না।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর উপস্থিতিকে ‘গুরুত্বহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন ইরান সেনাবাহিনীর উপ-সমন্বয়কারী রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি। এ ধরনের শক্তি প্রদর্শনে তেহরান বিচলিত নয় এবং কোনো ধরনের সংঘাত হলে তার মূল্য চুকাতে হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
সময়ের আলো/এসকে/