বাংলাদেশ-ভারত ইস্যুতে জল কম ঘোলা হয়নি। বিতর্কের শুরুর দিকে বাংলাদেশের পাশে থাকার ইজ্ঞিত দিলেও শেষ পর্যন্ত ধোঁয়াশাই রয়ে গেছে। কেননা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে নিজেদের অবস্থান এখনো স্পষ্ট করেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। শুক্র থেকে সোমবারের মধ্যে পাকিস্তান নিশ্চিত করবে বিশ্বকাপে তারা অংশ নেবে কিনা। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগমুহূর্তে দেখা যাচ্ছে অন্য রকম ঘটনা। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ মাঠে গড়ায় কি না, সেটা নিয়েই তৈরি হয়েছে শঙ্কা।
টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের ম্যাচ আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি। তার আগে, গ্রুপপর্বে তারা নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে। এই দুটি ম্যাচে যদি পাকিস্তান জেতে, তাহলে ভারত ম্যাচ বয়কট করতে পারে আগা সালমানের নেতৃত্বাধীন দল। গ্রুপে তাদের শেষ ম্যাচ নামিবিয়ার সঙ্গে। সেক্ষেত্রে প্রথম দুটি ম্যাচ জিতলে ভারত ম্যাচ না খেলেও গ্রুপপর্ব পার হওয়া তাদের জন্য সহজ হবে।
এক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ‘পাকিস্তান যদি এই দুটি খেলায় জেতে, তাহলে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সম্ভাবনা শক্তিশালী হবে।’
তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করলে ৪৬০ কোটি টাকার মামলার মুখোমুখি হতে হবে পাকিস্তানকে।
হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ভারতের জিও স্টার স্পোর্টসের সঙ্গে ৩০০ কোটি ডলারের সম্প্রচারক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত থাকবে এই চুক্তি। আইসিসির সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রাজস্ব ভাগ হবে। পাকিস্তান যদি ভারত ম্যাচ বয়কট করে সে ক্ষেত্রে আইসিসির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে সম্প্রচারকেরা আদালতে যেতে পারে। তখন পিসিবির কাছে আইসিসি নোটিশ পাঠাতে পারে। বার্ষিক খাত থেকে রাজস্বের ব্যাপারে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে সব ক্রিকেট বোর্ডই।’
এখন দেখার পালা, পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত তাদের অবস্থান ধরে রাখবে, নাকি স্বাভাবিক গতিতে আইসিসির নিয়ম মাফিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে।
সময়ের আলো/এনএ