ভারী আব্বাসের চাপে নাসির

রফিকুল ইসলাম সবুজ

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৮ আসনে শুরু

2026-01-29T05:15:37+00:00
2026-01-29T05:18:25+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
ভারী আব্বাসের চাপে নাসির
রফিকুল ইসলাম সবুজ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:১৫ এএম  আপডেট: ২৯.০১.২০২৬ ৫:১৮ এএম
রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় বুধবার নির্বাচনি প্রচারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। ছবি : সময়ের আলো
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৮ আসনে শুরু হয়েছে জোর নির্বাচনি তৎপরতা। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই আসনে এবার ১১ প্রার্থী থাকলেও মাঠে জোরালোভাবে সক্রিয় রয়েছেন মাত্র তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মির্জা আব্বাস (ধানের শীষ), জামায়াত জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারি (শাপলা কলি) এবং বামজোটের বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে)। 

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা ও পথসভায় সরগরম পুরো এলাকা। বিভিন্ন এলাকায় এই তিন প্রার্থীর ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। বাকি প্রার্থীদের প্রচার এখনও তেমন একটা চোখে পড়ছে না ভোটারদের। প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে উন্নয়ন, নাগরিকসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। ১১ প্রার্থী থাকলেও বিএনপি ও জামায়াত জোট প্রার্থীর মধ্যেই মূল লড়াই হবে বলে এলাকার ভোটাররা জানিয়েছেন।

বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস বড় ব্যবধানে জয়ের জন্য ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। একইভাবে এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারিও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। ঢাকা-৮ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৫ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ২২ হজার ৬৭৫ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন।

স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারা তুলনামূলকভাবে একটি ভিন্ন পরিবেশে নির্বাচন দেখছেন। এ আসনে অন্য দলের প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা), জনতার দলের মো. গোলাম সারোয়ার (কলম প্রতীক), গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মেঘনা আলম (ট্রাক প্রতীক), বাংলাদেশ জাসদের এ এফ এম ইসমাইল চৌধুরী (মোটরগাড়ি-কার), জাতীয় পার্টির মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাসেল কবির (ছড়ি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) এ এইচ এম রাফিকুজ্জামান আকন্দ (কাঁচি) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এস এম সরওয়ার (মোমবাতি)।

ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে প্রচার চালানোর সময় গত ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগরে গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ কারণে এবার এই আসনটি আলোচিত আসন হিসেবে সারা দেশে গুরুত্ব পেয়েছে। বিগত তিনটি নির্বাচনে এলাকার সাধারণ ভোটারদের অনেকেই ভোট দিতে পারেননি। 

তাই এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে মানুষের মধ্যে যেমন আগ্রহ রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানা হিসাব-নিকাশও। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু প্রতীক নয়; যোগ্যতা ও কাজের সক্ষমতা বিবেচনায় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার প্রবণতা এবার বেশি। দীর্ঘ সময় পর ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেলেও ভোটাররা প্রতিশ্রুতির বাইরে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা দেখতে চান।

নির্বাচনি এলাকাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলটির প্রার্থী মির্জা আব্বাস। ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী বলেছেন, গত ১৭ বছরে তার নির্বাচনি এলাকা মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকাকে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও চাঁদাবাজিমুক্ত করবেন। বড় ব্যবধানে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাকে ঘায়েল করতে একটি দল সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করছে। 

তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ডকুমেন্ট ছড়ানো হচ্ছে, এআই দিয়ে ভুয়া কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। বটবাহিনী দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ভরে ফেলা হয়েছে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন প্রার্থী তার বিরুদ্ধে অগণতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারী বক্তব্য দিচ্ছেন। মির্জা আব্বাসের অভিযোগ বিশেষ কোনো শক্তি তাদের পেছনে কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু করার চেষ্টা চলছে, তবে জনগণ তা প্রতিহত করবে।

এর আগে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশপাশি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মির্জা আব্বাস। তিনি অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরশনের মেয়রও ছিলেন। তিনি তার অস্থাবর সম্পত্তির দাম ৭০ কোটি টাকা দেখিয়েছেন মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায়। 

সেই সঙ্গে ২৫ কোটি টাকা দায় থাকার তথ্যও জানিয়েছেন তিনি। ঢাকার শাহজাহানপুরের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সি রাজনীতিক মির্জা আব্বাস হলফনামায় নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে দেখিয়েছেন, তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের পেশাও দেখিয়েছেন ব্যবসা। মির্জা আব্বাস তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘স্নাতক’ লিখেছেন। অস্থাবর সম্পদের তালিকায় নগদ অর্থ দেখিয়েছেন ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা, বিদেশি মুদ্রা দেখিয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৭৫ ডলার। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার জমা আছে ৭১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। 

রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকায় বুধবার নির্বাচনি প্রচার চালান ১১ দলীয় মনোনীত প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারি। ছবি : সময়ের আলো

রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকায় বুধবার নির্বাচনি প্রচার চালান ১১ দলীয় মনোনীত প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারি। ছবি : সময়ের আলো


সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানত রয়েছে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকার। ঢাকা ব্যাংকে শেয়ার কেনায় তার বিনিয়োগ ৫১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে তার বিনিয়োগ রয়েছে ৬ কোটি ৫৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। মির্জা আব্বাস তার দুটি গাড়ির মূল্য দেখিয়েছেন ২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার কাছে রয়েছে ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ। আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে তিনটি; যার মূল্য ৪ লাখ টাকার একটু বেশি। তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ৬ হাজার ১০৬ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক ভবন এবং ২ হাজার ৯৩০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ও দুটি পার্কিং দেখিয়েছেন হলফনামায়। মির্জা আব্বাস বাড়িভাড়া থেকে বছরে আয় করেন ৩ কোটি ৪ লাখ টাকার কিছু বেশি। 

শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে তার আয় আসে ৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এফডিআর ও ব্যাংক লাভ থেকে আয় হয় ১ কোটি ২৯ লাখ ১৭ হাজার ৬০৯ টাকা। হলফনামায় ২০২৫-২৬ করবর্ষে জমা দেওয়া আয়কর বিবরণীতে এই করবর্ষে ৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা আয়ের বিপরীতে ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা কর দেওয়ার তথ্য দিয়েছেন।

অন্যদিকে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছিল দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মাঠে প্রচারে ছিলেন। কিন্তু জোটের কারণে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারিকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হয় তাকে। 

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিয়ে এবং গণসংযোগে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে ইতিমধ্যে মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছেন। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেছেন, ঢাকা-৮ আসনের মাফিয়া চাঁদাবাজ চক্রকে নির্মূল করাই হবে তার প্রথম কাজ। 

এলাকাকে চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারি বলেন, বাংলাদেশে বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি রয়েছে, এই সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করতে চাই; যে বাংলাদেশে সবাই নিরাপদ থাকবে। ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজি থেকে নিরাপদ থাকবে। আমরা দুর্নীতি থেকে মুক্তি চাই। দলীয় টেন্ডারবাজির দুর্বৃত্তায়নের চক্র ভেঙে দিতে তিনি সবার ভোট প্রত্যাশা করছেন।

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারির বার্ষিক আয় সাড়ে চার লাখ টাকা হলেও নিজের ও স্ত্রীর নামে সম্পদ আছে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার। তিনি পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ‘মার্কেটিং কনসালট্যান্ট’। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর। নিজের নামে অস্থাবর সম্পদ আছে ৩৬ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮৮ টাকার (অর্জনকালীন মূল্য)। 

এর বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪০ লাখ টাকা। তার কাছে নগদ আছে ২৫ লাখ টাকা। পাটোয়ারির কাছে গহনা আছে ১০ লাখ টাকার। এ ছাড়া ৪০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য ও এক লাখ টাকার আসবাব আছে তার। নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর স্ত্রী ফাহিমা রহমান একজন গৃহিণী। তার নামে অস্থাবর সম্পদ আছে ২৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৮০ টাকার (অর্জনকালীন মূল্য), যার বর্তমান মূল্য ২৫ লাখ টাকার। 

ফাহিমা রহমানের কাছে নগদ আছে ৫ লাখ টাকা। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৮০ টাকা। আর গহনা আছে ১২ লাখ টাকার। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, এই দম্পতির কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। নেই কোনো ঋণও। সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে ৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৩ টাকা আয়ের বিপরীতে ৫ হাজার টাকা আয়কর দিয়েছেন পাটোয়ারি। সম্পদ দেখিয়েছেন ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকার।

ঢাকা-৮ আসনে বামজোটের সিপিবির প্রার্থী ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা কাস্তে প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। তিনিও এলাকাকে চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তার বিশ্বাস বিএনপি ও জামায়াত জোটের বাইরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাধারণ ভোটাররা কালো টাকা, পেশীশক্তি, দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে এবার তাকে কাস্তে মার্কায় ভোট দেবেন।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী পেশায় ব্যবসায়ী ত্রিদ্বীপ সাহার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসএস। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া তার সম্পদের মূল্য ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। তার বার্ষিক আয় ৫ লাখ ১৭ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। তার নগদ অর্থ রয়েছে ১১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর ১৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।

পল্টন ও শান্তিনগর এলাকার একাধিক ভোটার জানান, মির্জা আব্বাস এই আসনে একাধিকবার এমপি এবং মন্ত্রী হওয়ায় তার জনপ্রিয়তা আগে থেকেই রয়েছে। তাছাড়া তিনি এই নির্বাচনি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ায় তার প্রতি ভোটারদের আস্থা অনেক বেশি। তিনি নিয়মিত এলাকায় আসেন, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন। তাই এলাকার মানুষ বিশ্বাস করে, তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে বেশি কাজ করবেন। এ কারণে নির্বাচনে তিনি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।

অন্যদিকে জামায়াত জোটের প্রার্থী এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভূমিকার জন্য সারা দেশের মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। প্রথমবার ভোটে এলেও তিনি তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের কাছে জনপ্রিয়। তা ছাড়া জামায়াতের নেতাকর্মীরা তার পক্ষে জোরালোভাবে মাঠে নেমেছেন। ফলে এই আসনে এই দুই প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

সময়ের আলো/কেএইচও


  বিষয়:   সংসদ নির্বাচন  এনসিপি  বিএনপি 


Loading...
Loading...
- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: