আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইল-২ আসনে জনগণের মুখোমুখি হয়েছেন নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিভিন্ন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’র ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা অংশ নেন।
‘একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ নেই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুরু হওয়া এই নাগরিক সংলাপে ভোটারদের প্রশ্নের মুখে পড়েন প্রার্থীরা। দুর্নীতি দমন, এলাকার প্রধান পাঁচটি উন্নয়ন কাজ চিহ্নিত করা এবং নির্বাচিত হওয়ার পর, জনগণের কাছে জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দেন উপস্থিত জনতা।
সুজনের নড়াইল জেলা কমিটির সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মল্লিকের সভাপতিত্বে সংলাপে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জেড এম ফরিদুজ্জামান, জাতীয় পার্টির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান, জামায়াতে ইসলামীর মো. আতাউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. তাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. শোয়েব আলী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম ও মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন।
তবে এই সংলাপে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. নূর ইসলাম (ট্রাক প্রতীক) অনুপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত ভোটাররা হাততালি দিয়ে এই সম্প্রীতিকে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সুজন নড়াইল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান লাভু। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুজনের খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রঞ্জু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাপ্তাহিক নড়াইল কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান।
সুজন নেতৃবৃন্দ জানান, অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতেই এই আয়োজন। প্রার্থীদের সরাসরি জনগণের মুখোমুখি করার মাধ্যমে একটি জবাবদিহিতামূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।
সময়ের আলো/আআ