প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহযোগী মনির হায়দার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে একটি পরিকল্পনা হাতে নেন। এ সময় বেশ কয়েকটি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কমিশন ছিল সংবিধান সংস্কার কমিশন। কারণ রাষ্ট্রের মূল ব্যাধিটাই সংবিধানের ভেতরে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রচার-প্রচারণা জোরদারের লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মনির হায়দার বলেন, সবগুলো কমিশন থেকে প্রায় এক হাজারের মতো সুপারিশ এসেছিল। এর মধ্য থেকে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের মাধ্যমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৮৪টি সুপারিশ নিয়ে তৈরি করা হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার প্রথম পদক্ষেপ হবে একটা গণভোট করা।
তিনি বলেন, এখানে আপনি যদি জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে হয়ে থাকেন তাহলে ‘হ্যাঁ’, বিপক্ষে হলে ‘না’ ভোট দেবেন। কারণ এর প্রত্যেকটি সুপারিশ জুলাই অভ্যুত্থানকে পূর্ণতা দেওয়ার জন্য। আপনি যদি এতে ‘না’ করেন, তাহলে জুলাই অভ্যুত্থান ব্যর্থ। আমরা যদি শহিদদের জীবনের বিনিময়ে কিছু দিতে চাই, আমাদের সামনে আর কোনো অপশন নেই; এতে নিরপেক্ষও থাকা যাবে না।
বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য আব্দুর রহমান সরকার, বাকৃবি রেজিস্ট্রার ড. মো. হেলাল উদ্দীন প্রমুখ।
আরআর