হিন্দুদের ভোটের বাক্স আলাদা থাকবে বলে মন্তব্যকারী ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বিএনপি নেতা সেন্টু মোল্লাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরশীন মাহমুদ তাকে বহিষ্কার করেন।
জানা গেছে, গতকাল রাতে শুক্রবার রাতে ঢাকা-১ আসনের নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরের যন্ত্রাইল ইউনিয়নের হরিশকূল গ্রামে একটি নির্বাচনি ক্যাম্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেন্টু মোল্লা।
হরিশকূল গ্রাম হিন্দু অধ্যুষিত হওয়ায় বক্তব্যে সেন্টু মোল্লা বলেন, ‘আপনারা (হিন্দু ভোটাররা) ধানের শীষে ভোট না দিলে, আমরা ধরে ফেলতে পারব। কারণ, আপনাদের ভোটের জন্য আলাদা বাক্স দেয়া হবে।’
এদিকে, শুক্রবার রাতে ওই বিএনপি নেতার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এ বক্তব্য লাইভ প্রচার হয় সামাজিক মাধ্যমে। আজ (শনিবার) বক্তব্যটি ব্যাপক ভাইরাল হয়। এ ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে নানা রকম নেতিবাচক মন্তব্য ও কমেন্ট করে সাধারণ মানুষ।
পরবর্তীতে আজ বিকালে ভিডিওটি স্থানীয় বিএনপির নেতাদের নজরে আসলে তাৎক্ষণিক সেন্টু মোল্লাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবুল কালাম বলেন, তার (বিএনপি নেতা সেন্টু মোল্লা) এ বক্তব্যের কারণে দলের সব পদ থেকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা বিএনপি ও ঢাকা-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক এ ধরনের বক্তব্যকে গঠনতন্ত্র পরিপন্থী ও ঘৃণিত বলে মনে করেন।
জানতে চাই চাইলে সদ্য বহিষ্কৃত নেতা সেন্টু মোল্লা বলেন, তিনি ভুল করেছেন। অনিচ্ছাকৃত মুখ ফসকে এমন বক্তব্য বের হয়েছে। এমন মন্তব্যের জন্য সাধারণ ভোটার ও হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমাও চান তিনি।
এফআর