নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই প্রার্থীর তিন সমর্থক আহত হয়েছেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সোনাইমুড়ী উপজেলার ভোরের বাজারে এ হামলা চালানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ভোরের বাজারে কাজী মফিজুর রহমানের নির্বাচনি কার্যালয়ে রোববার একটি সভা চলছিল। ওই সময় সড়ক দিয়ে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকরা যেতে থাকে। তবে তারা মফিজুর রহমানের নির্বাচনি কার্যালয়ে আসলে উভয়পক্ষের সমর্থকরা পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তা মারামারিতে রূপ নেয়।
এ সময় ধানের শীষের সমর্থকরা মফিজুর রহমানের সমর্থকদের দিকে ধাওয়া করে। একইসঙ্গে মফিজুর রহমানের কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
ভুক্তভোগী সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ওই নির্বাচনি কার্যালয়ে আমি একটি সভা করি। আমি চলে যাওয়ার পর সাবেক চেয়ারম্যান দুলাল, বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন বাবুলের নির্দেশে যুবদলের নেতা ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক মো. পলাশ, মহিউদ্দিন চৌধুরী, মো. কানন, মো. বাদশা মো. রকি, গিয়াস উদ্দিন, পিন্টু, বাদশার নেতৃত্বে ১৫–২০ জনের একটি দল আমার নির্বাচনি অফিসে হামলা-ভাঙচুর চালায়।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ করে, আমি কোনো প্রতিকার পাচ্ছিনা। তারা ‘করছি-দেখব’ বলে কালক্ষেপণ করে। ধানের শীষ প্রতীকের নেতাকর্মীদের হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত থাকায় এলাকায় নির্বাচনি পরিবেশ অবনতির দিকে যাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, নির্বাচন অফিসে ভাঙচুর হয়নি। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বৈঠকে বিএনপির কিছু লোক ধানের শীষ প্রতীকের স্লোগান দেয়। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।
এফআর